আজকাল সুস্থ থাকার জন্য অনেকেই খাদ্যতালিকায় প্রোটিন পাউডার যুক্ত করছেন। তবে সঠিক নিয়ম না জেনে এটি গ্রহণ করলে উপকারের চেয়ে ক্ষতির আশঙ্কাই বেশি থাকে।

ভুল সাপ্লিমেন্ট নির্বাচন বা অনিয়মিতভাবে প্রোটিন পাউডার গ্রহণের ফলে পেট ফাঁপা, গ্যাস ও কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই এটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জেনে রাখা প্রয়োজন।
অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহণ
দৈনন্দিন খাদ্যেই স্বাভাবিকভাবে প্রোটিন থাকে। এর সঙ্গে অতিরিক্ত প্রোটিন পাউডার গ্রহণ করলে শরীরে প্রোটিন ও ক্যালরির পরিমাণ বেড়ে যায়। এতে ওজন কমার বদলে উল্টো বাড়তে পারে।
মূল খাবারের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার
অনেকেই ভাত, মাছ, মাংস বা সবজি বাদ দিয়ে শুধু প্রোটিন শেক গ্রহণ করেন, যা সম্পূর্ণ ভুল অভ্যাস। প্রোটিন পাউডার কখনোই পূর্ণাঙ্গ খাবারের বিকল্প নয়। এতে শরীরে ভিটামিন, খনিজ, ফাইবার ও প্রয়োজনীয় চর্বির ঘাটতি দেখা দিতে পারে।
অতিরিক্ত পরিমাণ গ্রহণ
অনেকে মনে করেন বেশি প্রোটিন গ্রহণ করলে দ্রুত পেশি গঠন হবে। কিন্তু শরীর একবারে সীমিত পরিমাণ প্রোটিন ব্যবহার করতে পারে। অতিরিক্ত প্রোটিন শরীরে চর্বি হিসেবে জমা হতে পারে।
নিম্নমানের প্রোটিন নির্বাচন
বাজারে অনেক প্রোটিন পাউডারে কৃত্রিম মিষ্টি উপাদান ও সংরক্ষণকারী রাসায়নিক থাকে, যা হজমে সমস্যা তৈরি করতে পারে।
শুরু করার সঠিক নিয়ম
প্রথম দিকে সপ্তাহে দুই দিন এক স্কুপ করে শুরু করা ভালো। শরীর সহ্য করলে ধীরে ধীরে পরিমাণ বাড়ানো যেতে পারে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি।
প্রোটিন পাউডার কেনার আগে কিছু বিষয় অবশ্যই যাচাই করা উচিত—
১. প্রোটিনের উৎস (হোয়ে, সয়া বা উদ্ভিজ্জ প্রোটিন)
২. প্রতি স্কুপে ২০–২৫ গ্রাম প্রোটিন আছে কি না
৩. অতিরিক্ত চিনি ও কৃত্রিম ফ্লেভার রয়েছে কি না
৪. অনুমোদন বা মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থার সার্টিফিকেশন আছে কি না
সঠিক নিয়ম মেনে প্রোটিন পাউডার ব্যবহার করলে এটি উপকারী হতে পারে, তবে ভুল ব্যবহার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



