ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের অংশ হিসেবে এবার চালকবিহীন ‘ড্রোন স্পিডবোট’ মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগনের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম রয়টার্স জানিয়েছে, এসব নৌযান টহল ও নজরদারির কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।

প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র প্রকাশ্যে স্বীকার করল যে তারা সক্রিয় কোনো যুদ্ধক্ষেত্রে এ ধরনের চালকবিহীন নৌযান ব্যবহার করছে। এর আগে এই ধরনের মোতায়েনের তথ্য কোথাও প্রকাশ করা হয়নি।
ড্রোন বোটগুলো শুধু নজরদারির কাজেই নয়, প্রয়োজনে আত্মঘাতী হামলার মতো আক্রমণাত্মক কার্যক্রমেও ব্যবহৃত হতে পারে বলে জানা গেছে।
ইউক্রেন যুদ্ধের সময় বিস্ফোরকবাহী স্পিডবোট ব্যবহার করে রাশিয়ার কৃষ্ণসাগরীয় নৌবহরের বড় ধরনের ক্ষতি হওয়ার পর থেকে চালকবিহীন নৌযান বিশ্বজুড়ে আলোচনায় আসে। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর ইরানও পারস্য উপসাগরে তেলবাহী জাহাজ লক্ষ্য করে কয়েকবার ‘সি ড্রোন’ ব্যবহার করেছে।
তবে যুক্তরাষ্ট্র এখনো এসব চালকবিহীন নৌযান দিয়ে কোনো আক্রমণ চালিয়েছে—এমন কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র টিম হকিন্স জানান, মেরিল্যান্ডভিত্তিক একটি কোম্পানির তৈরি এসব চালকবিহীন নৌযান ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র অংশ হিসেবে টহল দিচ্ছে। এগুলোকে ‘গ্লোবাল অটোনোমাস রিকনেসান্স ক্রাফট’ বা সংক্ষেপে ‘জিএআরসি’ নামে পরিচিত করা হয়।
তিনি আরও জানান, এসব বিশেষ নৌযান টহল দেওয়ার সময় ৪৫০ ঘণ্টারও বেশি পানিতে অবস্থান করে ২ হাজার ২০০ নটিক্যাল মাইল পথ অতিক্রম করতে সক্ষম হয়েছে।
তবে বর্তমানে মোতায়েন থাকা অন্যান্য ড্রোন ব্যবস্থার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করতে তিনি অস্বীকৃতি জানান। একইভাবে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


