প্রথম কোয়ালিফায়ারে গুজরাট টাইটান্সকে ৯২ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে রজত পাতিদার ও বিরাট কোহলির দল। তবে গুজরাটের ফাইনাল যাত্রা এখানেই শেষ হয়নি। তারা আরও একটি সুযোগ পাবে—এলিমিনেটরে জয়ী দলের বিপক্ষে খেলতে হবে ফাইনালে ওঠার লড়াই।

ধর্মশালায় প্রথমে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ২৫৪ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। জবাবে ১৯ ওভার ৩ বলে ১৬২ রানে অলআউট হয়ে যায় গুজরাট টাইটান্স।
২৫৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে গুজরাট। ২৭ রানের মধ্যেই তাদের দুই ওপেনার ফিরে যান। জস বাটলার ১১ বলে ২৯ রানের ইনিংস খেলে কিছুটা লড়াইয়ের ইঙ্গিত দেন।
এরপর দ্রুত উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে পড়ে তারা। মাত্র ৩৭ রানের ব্যবধানে ৫ উইকেট হারানোর পরই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি বেঙ্গালুরুর হাতে চলে যায়। ৮৮ রানে ৮ উইকেট হারানোর পর পরাজয় নিশ্চিত হয়ে যায় গুজরাটের।
শেষ দিকে রাহুল তেওয়াতিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। ৩৩ বলে ফিফটি তুলে নেন তিনি। তবে সপ্তম নম্বরে নামা ‘সুপার সাব’ ব্যাটসম্যানের ৪৩ বলে ৬৮ রানের ইনিংস দলের কোনো কাজে আসেনি।
এর আগে বিরাট কোহলি ও রজত পাতিদারের ব্যাটিং নৈপুণ্যে ৫ উইকেটে ২৫৪ রানের বিশাল স্কোর গড়ে বেঙ্গালুরু।
ভেঙ্কটেশ আয়ার ৭ বলে ১৯ রান করে ভালো শুরু করলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। তবে বিরাট কোহলি দ্রুত রান তুলতে থাকেন। ২৫ বলে ৪৩ রান করে আউট হন তিনি।
দেবদূত পাডিক্কেলের সঙ্গে ৩৮ বলে ৭২ রানের জুটি গড়েন কোহলি। পাডিক্কেল করেন ১৯ বলে ৩০ রান।
এরপর রজত পাতিদার ও ক্রুনাল পান্ডিয়ার মধ্যে ৪৭ বলে ৯৫ রানের ঝড়ো জুটি গড়ে ওঠে। ক্রুনাল ২৮ বলে ৪৩ রান করে ফিরে যান।
অধিনায়ক পাতিদার একের পর এক ছক্কায় আক্রমণ চালান এবং ২১ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন। শেষ পর্যন্ত তিনি ৩৩ বলে ৯৩ রানে অপরাজিত থাকেন, যেখানে ছিল ৫টি চার ও ৯টি ছক্কা।
গুজরাটের হয়ে জেসন হোল্ডার ও কাগিসো রাবাদা ২টি করে উইকেট নেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



