প্রয়াত বলিউড সুপারস্টার রাজেশ খান্নারকে ঘিরে দীর্ঘদিনের আইনি লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত বড় সিদ্ধান্ত দিল মুম্বাই হাই কোর্ট। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিল অনিতা আদবানিকে রাজেশ খান্নার স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া যাবে না। এর ফলে বহু বছরের এই বিতর্কের অবসান হলো, আর স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল কাপাডিয়া পরিবার।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে জানা যায়, বিচারপতি শর্মিলা দেশমুখ ২০১৭ সালে ডিন্ডোরি আদালতের দেয়া রায় বহাল রেখে অনিতার আবেদন খারিজ করে দেন। অনিতা আডবানির দাবি ছিল, তিনি রাজেশ খান্নার ‘লিভ-ইন পার্টনার’ ছিলেন এবং ২০১২ সালে অভিনেতার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তার সঙ্গেই বসবাস করেছেন। এমনকি তিনি আরও দাবি করেন, রাজেশ নাকি তার সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে দিয়েছিলেন, তাই তাদের সম্পর্ককে বৈবাহিক মর্যাদা দেয়া উচিত। তবে আদালত এসব দাবিকে গ্রহণ করেনি।
এই মামলার সূত্রপাত ২০১২ সালেই। রাজেশ খান্নার মৃত্যুর পর অনিতা অভিযোগ করেন, তাকে ‘আশীর্বাদ’ বাংলো থেকে বের করে দেয়া হয়েছে। এরপর তিনি ডিম্পল কাপাডিয়া, টুইঙ্কল খান্না এবং অক্ষয় কুমার-এর বিরুদ্ধে গার্হস্থ্য হিংসার মামলা করেন। তবে ২০১৫ সালেই হাইকোর্ট সেই অভিযোগ খারিজ করে জানায়ন অনিতা ও রাজেশ খান্নার মধ্যে বৈধ বিবাহের সম্পর্ক প্রমাণিত নয়, তাই এই মামলা প্রযোজ্য নয়।
এই রায়ে স্বাভাবিকভাবেই স্বস্তি পেয়েছেন রাজেশ খান্নার আইনত স্ত্রী ডিম্পল কাপাডিয়া, মেয়ে টুইঙ্কল খান্না এবং মেয়ে জামাই অক্ষয় কুমার। দীর্ঘদিন ধরে চলা আইনি জটিলতা থেকে অবশেষে মুক্তি মিলল তাদের।
অনিতা আদবানি পেশায় একজন অভিনেত্রী। ‘দাসী’, ‘আও প্যায়ার করে’ ও ‘সাজিশ’-এর মতো সিনেমায় অভিনয় করলেও বড়সড় সাফল্য পাননি। তবে রাজেশ খান্নার মৃত্যুর পর থেকেই তিনি আলোচনায় আসেন এবং বিভিন্ন সাক্ষাৎকার ও রিয়্যালিটি শোতে তাদের সম্পর্ক নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন। অন্যদিকে, রাজেশ খান্না ও ডিম্পল কাপাডিয়ার সম্পর্কও ছিল আলোচিত। মাত্র ১৬ বছর বয়সে ১৯৭৩ সালে তাদের বিয়ে হয়। তখন রাজেশ ছিলেন তুঙ্গে থাকা সুপারস্টার, আর ডিম্পল ছিলেন তার ভক্ত।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


