প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রিয়াজ বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলো তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনরায় চালু করার বিষয়ে একমত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) তিনি গণভোট প্রচারের অংশ হিসেবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এই তথ্য জানান।

অধ্যাপক আলী রিয়াজ বলেন, “২৪ জুলাই গণতন্ত্রের মুক্তি কারও দান নয়; এটি আমাদের সন্তানদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত। তাই এই সনদ বাস্তবায়ন করা আমাদের দায়িত্ব।” তিনি আরও বলেন, “বিচার বিভাগ স্বাধীন না হলে বিচার ব্যবস্থা বিভিন্নভাবে প্রভাবিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই আমাদের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
তিনি উপস্থিত জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন, এক ব্যক্তির (শেখ হাসিনা) ইচ্ছায় দেশের জনগণের ভোট দেওয়ার অধিকার দীর্ঘদিন ধরে সীমিত ছিল। “এটি এখনো সংবিধানে বিদ্যমান। আপনি যদি এটি বজায় রাখতে চান, সেই সুযোগ আছে; আর পরিবর্তন করতে চাইলে সেই সুযোগও রয়েছে।”
অধ্যাপক আলী রিয়াজ জানান, রাজনৈতিক দলগুলো আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্তে এসেছে যে, একজন ব্যক্তি কেবলমাত্র ১০ বছর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। এটি কোনো কমিশনের চাপের ফল নয়, বরং ৩০টি রাজনৈতিক দল ও জোটের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে নথিভুক্ত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংস্কার আনতে হলে ‘জুলাই জাতীয় সনদে’ যা আছে তা গণভোটের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের বিষয়েও রাজনৈতিক দলগুলো একমত হয়েছে।
মতবিনিময় সভায় তিনি গণভোট নিয়ে কিছু পক্ষের অপপ্রচারের কথাও উল্লেখ করেন। সভায় হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


