রোজা ভাঙার সময় খেজুর খাওয়ার প্রচলন সারা বিশ্বেই রয়েছে। এটি শুধু ধর্মীয় রীতি নয়, পুষ্টিবিজ্ঞানেও এর যথেষ্ট ভিত্তি আছে। সারাদিন না খেয়ে থাকার পর শরীর দ্রুত শক্তি ও প্রয়োজনীয় পুষ্টি চায়—খেজুর সেই চাহিদা পূরণে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

খেজুর খাওয়ার উপকারিতা
১. দ্রুত শক্তি জোগায়
খেজুরে প্রাকৃতিক শর্করা (গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ) থাকে, যা দ্রুত শক্তি দেয়। সারাদিন রোজা রাখার পর এটি শরীরকে তাৎক্ষণিক কর্মশক্তি ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।
২. হজমে সহায়ক
খেজুরে থাকা ফাইবার হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। ইফতারে ভাজাপোড়া বা ভারী খাবার খেলে খেজুর তা হজমে সহায়তা করতে পারে।
৩. পুষ্টিগুণে ভরপুর
খেজুরে ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন ও বিভিন্ন ভিটামিন রয়েছে, যা শরীর সচল রাখতে সহায়ক। সারাদিন উপবাসের পর এসব খনিজ উপাদান শরীরের ভারসাম্য রক্ষা করতে সাহায্য করে।
৪. রক্তচাপ ও শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
খেজুরে ক্ষারীয় লবণ ও পটাশিয়াম জাতীয় উপাদান থাকে, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে। পাশাপাশি পরিমিত পরিমাণে খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে ভূমিকা রাখে।
৫. সহজপাচ্য খাবার
খেজুর সহজে হজম হয়, তাই ইফতারে এটি আদর্শ একটি খাবার। তবে অতিরিক্ত খাওয়া ঠিক নয়।
সতর্কতা
যাদের ডায়াবেটিস, কিডনি সমস্যা বা অন্য কোনো দীর্ঘমেয়াদি রোগ আছে, তারা খেজুর খাওয়ার আগে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেবেন।
তথ্যসূত্র: বিবিসি গুড ফুড, হেলথ লাইন
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


