রমজান মাসে সাহরি, তারাবি ও ইবাদতের কারণে স্বাভাবিক ঘুমের নিয়মে বড় পরিবর্তন আসে। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থেকে অফিসের কাজ সামলানো অনেকের জন্যই চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়ে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে দৈনিক ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করতে পারলে রমজানেও সতেজ থাকা সম্ভব।

ঘুমের সময় ভাগ করে নিন
একটানা ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানো সম্ভব না হলে ঘুমকে দুই ভাগে ভাগ করে নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
প্রথম ভাগ : ইফতার ও তারাবির পর (রাত ১০টা বা ১১টা থেকে সাহরি পর্যন্ত) অন্তত ৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন ঘুমানোর চেষ্টা করুন।
দ্বিতীয় ভাগ : ফজর নামাজের পর অফিসের প্রস্তুতির আগে আরো ১ থেকে ২ ঘণ্টা ঘুমিয়ে নিন।
দুপুরে ‘পাওয়ার ন্যাপ’ বা কায়লুলাহ
কাজের ফাঁকে দুপুরে ২০-৩০ মিনিটের একটি ছোট ঘুম বা বিশ্রাম (যাকে ইসলামী পরিভাষায় ‘কায়লুলাহ’ বলা হয়) বিকেলের ক্লান্তি দূর করতে জাদুর মতো কাজ করে। এটি মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা এবং মেজাজ ফুরফুরে রাখে।
গভীর ঘুমের জন্য যা করবেন
খাদ্যাভ্যাস : ইফতারে অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন। সেহরিতে ওটস, কলা বা দুগ্ধজাত খাবার রাখুন যা ভালো ঘুমে সাহায্য করে।
ক্যাফেইন নিয়ন্ত্রণ : ইফতারের পর চা বা কফি পানে সতর্ক হোন। ঘুমানোর অন্তত ৬-৭ ঘণ্টা আগে ক্যাফেইন এড়িয়ে চলাই ভালো।
স্ক্রিন টাইম : মেলাটোনিন হরমোনের (যা ঘুমাতে সাহায্য করে) ক্ষরণ ঠিক রাখতে ঘুমানোর অন্তত ৩০ মিনিট আগে মোবাইল বা ল্যাপটপ ব্যবহার বন্ধ করুন।
কর্মক্ষেত্রে সতেজ থাকার টিপস
কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো সকালের দিকে সেরে ফেলুন, কারণ সাহরির পর সকালে এনার্জি বেশি থাকে। অফিসের ভেতরেই ছোট ছোট বিরতি নিন এবং হালকা হাঁটাহাঁটি করুন। শরীর সতেজ রাখতে ইফতার থেকে সাহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
সূত্র : জন হপকিনস এরামকো হেলথকেয়ার
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


