প্রথম কোয়ালিফায়ারে ডেজার্ট ভাইপার্সের কাছে হেরে ফাইনালের পথ কঠিন করে তুলেছিল এমআই এমিরাটস। তবে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে আর কোনো ভুল করেনি কাইরন পোলার্ড নেতৃত্বধীন দল। আবুধাবী নাইট রাইডার্সকে সাত উইকেটে হারিয়ে আইএল টি–টোয়েন্টির ফাইনালে উঠেছে এমিরাটস।

শিরোপার লড়াইয়ে ফাইনালে এমিরাটসের প্রতিপক্ষ আবারও ডেজার্ট ভাইপার্স। আগামী ৪ জানুয়ারি মাঠে গড়াবে ম্যাচটি।
শারজাতে আজ বাঁচা–মরার ম্যাচে টস জিতে নাইট রাইডার্সকে ব্যাটিংয়ে পাঠান এমিরাটস অধিনায়ক পোলার্ড। ব্যাট হাতে থিতু হতে পারেনি জেসন হোল্ডার নেতৃত্বাধীন দল। আল্লাহ মোহাম্মদ গজনফার ও ফজলহক ফারুকির নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে চাপে পড়ে ১২০ রানেই গুটিয়ে যায় নাইট রাইডার্স।
লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় এমিরাটস। মাত্র ৩৬ রানে দুই ওপেনারকে হারায় দলটি। সেখান থেকেই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন সাকিব আল হাসান ও টম ব্যানটন। দুজনের দৃঢ় প্রতিরোধে ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় এমিরাটস।
শেষ পর্যন্ত সাকিব আউট হলেও জয় বন্দরে পৌঁছাতে কোনো বাধা হয়নি এমিরাটসের। ব্যাট হাতে ২৪ বলে ৩৮ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন বাংলাদেশের অলরাউন্ডার। পাঁচটি চার ও একটি ছক্কায় সাজানো ইনিংসের জন্য ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন তিনি।
এই ইনিংসই টুর্নামেন্টে সাকিবের সর্বোচ্চ রান। এর আগে সর্বোচ্চ ১৭ রান করেছিলেন তিনি। তিন ম্যাচে ব্যাটিংয়ের সুযোগই পাননি। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে সুযোগ পেয়ে সেটার পূর্ণ সদ্ব্যবহার করে দলকে ফাইনালে তুলে নিলেন অভিজ্ঞ এই অলরাউন্ডার।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


