ডিজিটাল যুগে স্মার্টফোন শুধু কথা বলার ডিভাইস নয়—কাজ, পড়াশোনা, ব্যাংকিং, বিনোদন সবকিছুর কেন্দ্র। তাই ফোন ধীর হয়ে গেলে বা হ্যাং করলে বিরক্তি লাগা স্বাভাবিক। তবে নতুন ফোন কেনার আগে একটি গুরুত্বপূর্ণ ফিচার ব্যবহার করে দেখতে পারেন—ডেভেলপার অপশনস।

নাম শুনে জটিল মনে হলেও, সঠিকভাবে সেটিংস পরিবর্তন করলে সাধারণ ব্যবহারকারীরাও ফোনের গতি ও পারফরম্যান্সে দৃশ্যমান উন্নতি পেতে পারেন।
ব্যাকগ্রাউন্ড প্রসেস সীমিত করুন
অ্যান্ড্রয়েড একসঙ্গে বহু অ্যাপ চালাতে পারে। কিন্তু বেশি অ্যাপ ব্যাকগ্রাউন্ডে সক্রিয় থাকলে র্যাম ও প্রসেসরের ওপর চাপ পড়ে।
ডেভেলপার অপশনসে গিয়ে Background Process Limit ২ বা তার কমে সেট করলে কম অ্যাপ একসঙ্গে চলবে—ফোন হবে দ্রুত ও স্মুথ।
লগার বাফার সাইজ কমান
ফোনের বিভিন্ন কার্যকলাপ লগ হিসেবে সংরক্ষিত হয়, যা মূলত ডেভেলপারদের জন্য দরকারি। সাধারণ ব্যবহারকারীর ক্ষেত্রে এটি অতিরিক্ত মেমোরি দখল করে রাখতে পারে।
Logger Buffer Size ৬৪K বা ২৫৬K-তে নামিয়ে আনলে মেমোরি ব্যবহার কমবে এবং ডিভাইসের ওপর চাপ হ্রাস পাবে।
সর্বোচ্চ রিফ্রেশ রেট চালু করুন
অনেক ফোনে ৯০Hz বা ১২০Hz ডিসপ্লে থাকলেও ব্যাটারি সাশ্রয়ের জন্য সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিফ্রেশ রেট কমিয়ে দেয়।
ডেভেলপার অপশনসে Force Peak Refresh Rate চালু করলে স্ক্রলিং ও গেমিং আরও মসৃণ হবে।
মনে রাখবেন, এতে ব্যাটারি খরচ কিছুটা বাড়তে পারে।
অ্যানিমেশন স্কেল কমিয়ে দিন
অ্যাপ খোলা, মেনু পরিবর্তন বা পপ-আপ দেখানোর সময় যে ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট দেখা যায়, তা অ্যানিমেশন স্কেলের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়।
Window Animation Scale, Transition Animation Scale, এবং Animator Duration Scale ১x থেকে ০.৫x বা বন্ধ করলে ফোনের রেসপন্স টাইম অনেক দ্রুত অনুভূত হবে।
গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা
ডেভেলপার অপশনসে পরিবর্তন করার সময় সাবধান থাকুন। ভুল সেটিংস করলে সিস্টেমে সমস্যা হতে পারে। যেসব অপশন সম্পর্কে নিশ্চিত নন, সেগুলো পরিবর্তন না করাই ভালো।
সঠিকভাবে কনফিগার করলে পুরোনো অ্যান্ড্রয়েড ফোনও নতুনের মতো দ্রুত ও স্মুথ অভিজ্ঞতা দিতে পারে—তাও অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


