দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পর্যায়ক্রমে ‘মিড-ডে মিল’ চালুর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তবে শিক্ষার্থীদের জন্য নিম্নমানের বা পচা খাবার সরবরাহ করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার খুলনা বিভাগীয় অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। ২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, যশোর এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন কেন্দ্রগুলোর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মিড-ডে মিল কর্মসূচিতে অনিয়ম বা নিম্নমানের খাবার সরবরাহের অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে যাদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অনিয়ম কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। এ কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হারও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এর আগে বরিশালে অনুষ্ঠিত আরেকটি মতবিনিময় সভায় শিক্ষামন্ত্রী প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের এমন শাস্তি দেওয়া হবে, যা দেশের মানুষ দীর্ঘদিন মনে রাখবে। কোনোভাবেই প্রশ্নফাঁসের সুযোগ দেওয়া হবে না।
পরীক্ষাকেন্দ্রে অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে নতুন কিছু উদ্যোগের কথাও জানান তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ‘বডি-ওর্ন ক্যামেরা’ ব্যবহার করবেন। পাশাপাশি কেন্দ্রভিত্তিক পর্যবেক্ষণের জন্য কন্ট্রোল রুম স্থাপন ও ভিডিও সংরক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে, যাতে পরবর্তীতে অভিযোগ এলে তা যাচাই করা যায়।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের নতুন প্রজন্মকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। তিনি শিক্ষকদের দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পাঠদান ও শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়নে কাজ করার আহ্বান জানান।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



