সংস্কার ও বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্নের পর দেশকে নির্বাচনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীরা। তারা বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমেই একটি নতুন বাংলাদেশে প্রবেশ করবে দেশ।

বৃহস্পতিবার ২২ জানুয়ারি, ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচনী প্রচার শুরু উপলক্ষে আয়োজিত এক কর্মসূচিতে এ কথা বলেন জোটের প্রার্থীরা।
কর্মসূচিতে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, সংস্কার ও বিচারের পর আমরা নির্বাচনের দিকে নজর দিতে চেয়েছিলাম। নির্বাচনের মাধ্যমেই আমরা নতুন বাংলাদেশে প্রবেশ করবো। ১০ দলীয় জোট এবং ‘হ্যাঁ’ ভোটকে আমরা জয়যুক্ত করবো।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ঢাকা-৮ আসনে নতুন মাফিয়া ও জমিদারি শক্তির উত্থান ঘটেছে। এসব অপশক্তির বিরুদ্ধে সরব থাকবেন বলেও জানান তিনি।
এ সময় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমে সংস্কারের যাত্রাকে অব্যাহত রাখতে হবে। সাধারণ মানুষের ভোটেই ১০ দলীয় ঐক্য নির্বাচনে জয়ী হবে। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে জয়লাভ করে আমরা সংসদে যেতে চাই।
নাহিদ ইসলাম দাবি করেন, নিরপেক্ষ থাকতে হলে নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষ আচরণ করতে হবে। তার অভিযোগ, ইসির নিরপেক্ষতার ঘাটতি রয়েছে।
তিনি বলেন, নির্বাচনী যাত্রার মাধ্যমে আধিপত্যবিরোধী আন্দোলনের সূচনা হলো। এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। মানুষ তার ভোটাধিকার প্রয়োগের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে।
ঢাকা-৮ আসনকে নানা লড়াই-সংগ্রামের ঐতিহাসিক ক্ষেত্র উল্লেখ করে এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ বলেন, এই আসন থেকেই আমরা প্রচারণা শুরু করেছি। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান এবং হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিকে প্রচারণার অন্যতম প্রধান এজেন্ডা হিসেবে তুলে ধরেন।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
১০ দলীয় জোটের প্রার্থীরা আরও বলেন, যেকোনো মূল্যে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং সেই নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করে ১০ দলীয় জোট সরকার গঠন করবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


