বগুড়ার শেরপুরে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মা-বাবাসহ পরিবারের চার সদস্যকে হারিয়ে অলৌকিকভাবে বেঁচে যাওয়া দেড় বছরের শিশুটির চিকিৎসার যাবতীয় দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গুরুতর আহত ওই শিশুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া থেকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে স্থানান্তর করা হবে।

দায়িত্ব

Advertisement

বুধবার (১৮ মার্চ) সকালে ঢাকা থেকে রংপুরগামী একটি যাত্রীবাহী মাইক্রোবাস বগুড়ার শেরপুর এলাকায় দুর্ঘটনার কবলে পড়লে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস-সচিব আতিকুর রহমান রুমন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রধানমন্ত্রী নিজে শিশুটির উন্নত চিকিৎসার খোঁজখবর নিচ্ছেন। তিনি ইতিমধ্যে বগুড়ার জেলা প্রশাসক এবং বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের সঙ্গে কথা বলে আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দিয়েছেন। এছাড়া ঢাকার নিউরোসায়েন্স হাসপাতালের পরিচালকের সঙ্গেও কথা বলে শিশুটির জন্য বিশেষ চিকিৎসা ব্যবস্থা ও যাবতীয় ব্যয়ভার গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ১৭ জন যাত্রী নিয়ে মাইক্রোবাসটি রংপুরের দিকে যাচ্ছিল। শেরপুর এলাকায় পৌঁছালে এটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে এবং ঘটনাস্থলেই একজনের মৃত্যু হয়। পরে আহতদের উদ্ধার করে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা শিশুটির মা-বাবাসহ আরও তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন। পরিবারের সবাইকে হারিয়ে শিশুটি এখন জীবনযুদ্ধে লড়ছে।

বগুড়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান জানিয়েছেন, পরিবারটি ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়িতে ঈদ উদযাপন করতে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার শিকার হন তারা।

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Mynul Islam Nadim is a journalist at Zoom Bangla News, contributing to news writing and editorial support. He is involved in refining content to ensure accuracy, clarity, and consistency for digital platforms. His work reflects a commitment to responsible journalism and audience-focused reporting.