সরকারি মালিকানাধীন জমিগুলো ১৫ বছরের জন্য লিজ দিয়ে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে সরকার। এমন তথ্য জানিয়েছেন বেজা, বিডা ও পিপিপি কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ খাতে চলমান ভর্তুকি ধীরে ধীরে কমিয়ে আনার পক্ষে তিনি মত দেন এবং জানান, যাদের আর্থিক সক্ষমতা নেই, শুধু তাদেরই ভর্তুকির আওতায় আনা উচিত।

রোববার (১৭ মে) ‘বিদ্যুৎ খাত থেকে আসা অর্থনৈতিক বোঝা: সংকট উত্তরণের নীতি পরামর্শ’ শীর্ষক সেমিনারে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। সেমিনারটির আয়োজন করে ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ।
আশিক চৌধুরী বলেন, সৌরবিদ্যুতে রুফটপ সোলারের ক্ষেত্রে নেট মিটারিং নীতি থাকলেও এর হিসাব-নিকাশ অত্যন্ত জটিল। অনেক ক্ষেত্রে একাধিক ব্যক্তি দীর্ঘ সময় চেষ্টা করেও সোলার নেট মিটারিং স্থাপন করতে পারেন না।
তিনি আরও বলেন, বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াকে সহজ করা দরকার। বাড়ির মালিকরা সহজে হটলাইনে যোগাযোগ করে সোলার স্থাপনের আবেদন করবেন, এরপর সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার এসে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করবেন—এমন একটি সহজ ব্যবস্থা থাকা উচিত।
চুক্তি ব্যবস্থাপনা নিয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে চুক্তি থেকে সহজে বের হওয়া যায় না। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ক্যাপাসিটি চার্জ থাকলেও বাংলাদেশে এটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, যা অর্থনৈতিক সক্ষমতার ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে।
বিডা চেয়ারম্যান বলেন, সাম্প্রতিক বৈশ্বিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে তেল সংকট ও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা বিবেচনায় সৌরবিদ্যুৎই বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে কার্যকর ও সাশ্রয়ী বিকল্প। সোলার বিদ্যুতের খরচ তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে কম বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



