সোশ্যাল মিডিয়া খুললেই চোখে পড়ে নানা ধরনের স্কিনকেয়ার রুটিন। দেশি-বিদেশি প্রসাধনী হোক বা ঘরোয়া উপায়—ত্বক ভালো রাখার অসংখ্য পরামর্শ ভেসে বেড়াচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রেই সেসব কাজ করছে না। ঠিক যেমন অকালে চুল পেকে যাওয়া, তেমনি বয়স হওয়ার আগেই ত্বকে বার্ধক্যের ছাপ পড়ছে এখন তরুণদের মধ্যেও।

আগে শুধু ব্রণ, র্যাশ, ব্রণের দাগ বা ব্ল্যাকহেডসের সমস্যাই ছিল। এখন দেখা যাচ্ছে, বিশের কোঠা পেরোনোর আগেই ত্বক হয়ে পড়ছে শুষ্ক, চোখে পড়ছে ফাইন লাইনস। অনেকের ধারণা, বাইরে থেকে যত্ন নিলেই ত্বক ভালো থাকবে। কিন্তু বাস্তবতা বলছে, শুধু প্রসাধনী যথেষ্ট নয়।
চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, ত্বকের সুস্থতার জন্য দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিছু খাবার নিয়মিত খেলে ত্বকের ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
চলুন জেনে নেওয়া যাক— কোন খাবারগুলো ত্বকের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে:
পাউরুটি
পাউরুটি মূলত ময়দা দিয়ে তৈরি এবং এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বেশ বেশি। নিয়মিত খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। এতে ইনসুলিনের ভারসাম্য নষ্ট হয় এবং শরীরে প্রদাহ বাড়ে। ফলস্বরূপ ত্বকে অতিরিক্ত সেবাম নিঃসরণ হয়, যা ব্রণ, ব্ল্যাকহেডস ও হোয়াইটহেডসের কারণ হতে পারে।
ভাজাপোড়া খাবার
অতিরিক্ত ভাজাপোড়া ত্বকের জন্য মোটেও উপকারী নয়। এসব খাবারে তেলের পরিমাণ বেশি থাকে, পাশাপাশি লবণ ও চিনিও থাকে উল্লেখযোগ্য মাত্রায়। বিশেষ করে চিপস বা প্রক্রিয়াজাত খাবার নিয়মিত খেলে শরীরে প্রদাহ বাড়ে, যা ত্বকের ক্ষতির অন্যতম কারণ।
স্কিম মিল্ক
ওজন নিয়ন্ত্রণের চিন্তায় অনেকেই ফ্যাট-ফ্রি স্কিম মিল্ক বেছে নেন। শুনতে স্বাস্থ্যকর লাগলেও গবেষণায় দেখা গেছে, স্কিম মিল্ক ত্বকে ব্রণের প্রবণতা বাড়াতে পারে। তাই ত্বকের সমস্যা থাকলে এই পানীয় নিয়ে সতর্ক হওয়া জরুরি।
চকোলেট
চকোলেটপ্রেমীদের জন্য বিষয়টি একটু হতাশাজনক হতে পারে। যদিও ডার্ক চকোলেট তুলনামূলক ভালো, কিন্তু মিল্ক চকোলেট ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। কারণ এতে দুধ ও চিনি—এই দুই উপাদানই থাকে, যা ত্বকে ব্রণ ও অন্যান্য সমস্যা বাড়াতে সহায়ক।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


