সিলেট বিভাগের ১৯টির মধ্যে ১৮ আসনেই ধানের শীষ জয়ী হয়েছে। এ বিজয়ের পর সিলেটের রাজনৈতিক আবহ এখন প্রত্যাশা ও হিসাবের। কার গলায় উঠবে মন্ত্রিত্বের মালা, কারা যাচ্ছেন সংরক্ষিত আসনে, কে পাচ্ছেন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়-এসব নিয়েই আলোচনা চলছে।

প্রবাসী অধ্যুষিত এই বিভাগে পররাষ্ট্র, প্রবাসী কল্যাণ বা স্থানীয় সরকার খাতে সিলেটের প্রতিনিধিত্ব বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দলীয় সূত্র বলছে, কেন্দ্রভিত্তিক মনিটরিং, প্রবাসী সমন্বয় এবং কৌশলগত প্রার্থী বাছাই ছিল বিএনপির সাফল্যের চাবিকাঠি। এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে আলোচিত নাম ‘ম্যাজিকম্যান’খ্যাত আরিফুল হক চৌধুরী। ওয়ার্ড কাউন্সিলর থেকে দুই মেয়াদের নগরপিতা। আজোবধি অপরাজেয় আরিফুল এবার সংসদ-সদস্য। সিলেট-৪ আসনে লাখো ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি মন্ত্রীর দায়িত্ব পাচ্ছেন-এমন আলোচনা চলছে।
একই সঙ্গে আলোচনায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সিলেটের হুমায়ুন কবীর।
এর সঙ্গে বেশ জোড়েশোরে কেন্দ্রে আলাপ হচ্ছে বিএনপি নেতা ড. এনামুল হক, হবিগঞ্জের সাবেক মেয়র জি কে গউছ ও অর্থনীতিবিদ ড. রেজা কিবরিয়ার নাম। উচ্চশিক্ষিত ও নীতিনির্ধারণে অভিজ্ঞ কয়েকজনকে অর্থ, স্থানীয় সরকার কিংবা পরিকল্পনা খাতে দায়িত্ব দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে সংসদে এবার রয়েছেন সিলেটের দুই মন্ত্রীপুত্র। সিলেট-১ এ জয়ী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি সাবেক এমপি খন্দকার আব্দুল মালিকের ছেলে। মৌলভীবাজার-৩ এ জয়ী এম নাসের রহমান। তিনি সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের ছেলে।
নারী নেতৃত্বে ইতিহাস গড়েছেন তাহসিনা রুশদীর লুনা। সিলেট বিভাগে সরাসরি ভোটে প্রথম নির্বাচিত নারী এমপি। তিনি নিখোঁজ নেতা এম ইলিয়াস আলীর স্ত্রী।
দলীয় পর্যায়ে জোরালো আলোচনায় আছেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, ড. এনামুল হক, কলিম উদ্দিন মিলন। সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীও সুবিধা পেতে পারেন বলে আলোচনা হচ্ছে সিলেটে। শরিক দল প্রসঙ্গও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
সিলেট-৫ এ সমন্বয়হীনতায় হারলেও জমিয়ত প্রধান মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুককে বিশেষ কোটায় দায়িত্ব দেওয়ার আলোচনা রয়েছে।
সূত্র ও ছবি : যুগান্তর
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


