
গতকাল বুধবার রাতে রাজধানীর মিরপুরে শেওড়াপাড়ার একটি কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। জামায়াতের ঢাকা মহানগরী উত্তরের কাফরল পশ্চিম থানা শাখার উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়।
ডা. শফিক বলেন, ‘আমাদের দেশের অর্থনীতি বিধ্বস্ত। ব্যবসায়ীরা ব্যাংক থেকে লোন পাচ্ছেন না। ডিপোজিটররা তাদের টাকা ফেরত পাচ্ছেন না। শেয়ার হোল্ডাররা তাদের শেয়ারের হিসাব মেলাতে পারছেন না। এই অবস্থায় ইসলামী ব্যাংক আবার দখল করার পাঁয়তারা চলছে।’
তিনি বলেন, ‘এমন ব্যক্তিকে ইসলামী ব্যাংকের এখন বোর্ডের চেয়ারম্যান বানিয়ে দেওয়া হয়েছে, যিনি পালিয়ে গিয়েছিলেন, যিনি পরিত্যক্ত ফ্যাসিস্টদের দোসর, তাকে এনে এখন ইসলামী ব্যাংকের ঘাড়ের ওপর বসিয়ে দেয়া হয়েছে। এ অবস্থায় ব্যাংকের সেবাগ্রহীতা, ডিপোজিটর ও শেয়ারহোল্ডাররা সবাই মিলে রাস্তায় নেমেছে। তাদেরকে জামায়াতের মানুষ বলা হচ্ছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমি স্বীকার করে নিচ্ছি- এরা জামায়াতে ইসলামের মানুষ এবং এরা এই দেশের নাগরিক। তারা কোন দল করে- এটা দেখার বিষয় নয়। তারা ব্যাংকের মালিক, এই ব্যাংকের ক্ষতি হবে আর তারা চুপ করে বসে থাকবে, এটা আশা করবেন না।’ আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশ বাহিনীকে লেলিয়ে দিয়ে গুলি, টিয়ারশেল ও জলকামান নিক্ষেপের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
জ্বালানি খাত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, দেশে গ্যাসের মজুত কমে যাচ্ছে, কিন্তু নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধান ও উত্তোলনে সরকার কার্যকর উদ্যোগ নিচ্ছে না। গ্যাসের দাম ছয়-সাতশ টাকা বাড়িয়ে পরে ৫০ টাকা কমানো জাতির সঙ্গে তামাশার শামিল।
তিনি বলেন, ‘এক মাসও হয় নাই তেলের দাম আট থেকে ১২ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। এক মাসের কম সময়ের ভিতরে আবার তিনটা আইটেমে লিটার প্রতি প্রায় পাঁচ টাকা করে বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আজকে (বুধবার) আবার বিদ্যুতের দাম প্রায় ১৭ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। মানুষ এত বোঝা বহন করবে কিভাবে? জনগণের আয়তো বাড়ছে না, বরঞ্চ বেকারত্বের মিছিল দীর্ঘতর হচ্ছে। এ অবস্থায় জনগণ বাঁচবে কিভাবে?
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



