প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম অভিযোগ করেছেন, নারী ও নারীবাদী সংগঠনগুলো নির্বাচনী মাঠে নারী প্রার্থীদের পাশে দাঁড়াতে ব্যর্থ হয়েছে। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে এ বিষয়ে একটি পোস্ট দেন তিনি।

দেশের নারী ও নারীবাদী সংগঠনগুলো নির্বাচনী মাঠে নারী সংসদ সদস্য প্রার্থীদের প্রতি দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। আজ শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ফেসবুক পোস্টে শফিকুল আলম লেখেন, ‘তাসনিম জারার পরাজয়ের পেছনে আমাদের নারীরা ও নারীবাদী সংগঠনগুলো দায়ী। সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্বের প্রশ্নে তাঁরা উচ্চকণ্ঠ ও আবেগপ্রবণ বক্তব্য দেন। অথচ পুরুষপ্রাধান্য নির্বাচনী মাঠে তাসনিম জারা ছিলেন প্রায় একাই।
খুব কম ক্ষেত্রেই দেখা গেছে, নারীবাদী সংগঠনগুলো তাঁর পক্ষে ঘরে ঘরে গিয়ে প্রচার চালিয়েছে। সংহতি জানিয়ে কোনো সভার আয়োজনও ছিল বিরল। ঢাকার বন্ধুর রাজপথে ঘাম ঝরিয়ে জারাকে জাতীয় আলোচনায় তুলে আনতে যেন কেউই প্রস্তুত ছিলেন না।
শেষ পর্যন্ত হাতেগোনা কয়েকজন সহযোদ্ধা ও সমর্থককে পাশে নিয়েই তাঁকে অসম এক লড়াই চালিয়ে যেতে হয়েছে। নারী সংগঠনগুলোর কি তাঁর পাশে দাঁড়ানো উচিত ছিল না? অথচ অনেককেই শীতাতপনিয়ন্ত্রিত মিলনায়তন ও হোটেলের সম্মেলনকক্ষে সেমিনার নিয়ে ব্যস্ত থাকতে দেখা গেছে।’
পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ‘প্রখ্যাত আলোকচিত্রী ও শ্রমিকনেত্রী তাসলিমা আখতারও নির্বাচনী মাঠে প্রায় একাই ছিলেন। কোথায় ছিল নারী সংগঠনগুলো? কোথায় ছিলেন নারী শ্রমিক অধিকারকর্মীরা? নারী সাংবাদিক ও নারী চিকিৎসকেরাই বা কোথায় ছিলেন? কতজন তাঁর সঙ্গে পুরো একটি দিন কাটিয়েছেন, তাঁর পথচলার ইতিহাস লিপিবদ্ধ করেছেন এবং তাঁর অনন্য গল্পটি তুলে ধরেছেন?’
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
পোস্টের শেষে শফিকুল আলম লেখেন, ‘যত ভাবি, ততই মনে হয়– আমাদের নারী সংগঠনগুলো নারী সংসদ সদস্য প্রার্থীদের প্রতি তাদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে।’
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


