মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে সীমিত সংখ্যক তেলবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়ার কথা বিবেচনা করছে, তবে শর্ত হিসেবে তেলের মূল্য চীনা মুদ্রা ইউয়ানে পরিশোধ করতে হতে পারে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে।

সূত্রটি মার্কিন সংবাদমাধ্যমকে জানান, ইরান বর্তমানে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী ট্যাঙ্কারের চলাচল নিয়ন্ত্রণে নতুন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সীমিত সংখ্যক জাহাজকে পার হতে দেওয়া হতে পারে, যদি তেলের লেনদেন চীনা মুদ্রা ইউয়ানে করা হয়।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান যদি হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে বাধা দেওয়া অব্যাহত রাখে, তবে ইরানের তেল অবকাঠামোর ওপর হামলা চালানো হতে পারে। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরই মধ্যে ইরানের খারগ দ্বীপে থাকা সব সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করেছে। দ্বীপটি ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল রপ্তানির কেন্দ্র।
বিশ্বের অধিকাংশ আন্তর্জাতিক তেল লেনদেন সাধারণত মার্কিন ডলারে হয়ে থাকে। তবে নিষেধাজ্ঞার মুখে থাকা রাশিয়ার কিছু তেল রুবল বা ইউয়ানে লেনদেন করা হয়।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, দাম ২০২২ সালের জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
এ বিষয়ে সতর্ক করে জাতিসংঘ বলেছে, প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল সীমিত হলে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক আন্ডার-সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে এর প্রভাব দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে। খাদ্য, ওষুধ, সারসহ প্রয়োজনীয় সরবরাহ পরিবহন কঠিন ও ব্যয়বহুল হয়ে উঠবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


