ত্বকের বলিরেখা, দাগছোপ, র্যাশ কিংবা চুলকানির মতো সমস্যা এখন অনেকেরই নিত্যসঙ্গী। এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ত্বককে ভেতর থেকে আর্দ্র ও পুষ্ট রাখা অত্যন্ত জরুরি। ত্বকে কোলাজেনের ঘাটতি দেখা দিলেই বয়সের ছাপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে—বলিরেখা বাড়ে, ত্বক নিস্তেজ হয়ে পড়ে।

এই সব সমস্যার প্রাকৃতিক সমাধান হিসেবে গাজরের ভূমিকা অনস্বীকার্য। সাধারণ ফেসপ্যাকের পরিবর্তে নিয়মিত ত্বকে গাজর ব্যবহার করলে ত্বকের নানা সমস্যা ধীরে ধীরে কমে আসতে পারে।
গাজরে রয়েছে বিটা-ক্যারোটিন ও ভিটামিন সি। বিটা-ক্যারোটিন শরীরে গিয়ে ভিটামিন এ-তে রূপ নেয়, যা ত্বকের কোষ পুনর্গঠনে সহায়তা করে। অন্যদিকে ভিটামিন সি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। এই দুটি উপাদান একসঙ্গে ত্বকের প্রদাহ কমায়, কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে এবং সূর্যের ক্ষতিকর ইউভি রশ্মি থেকেও ত্বককে সুরক্ষা দেয়। পাশাপাশি ত্বকের উজ্জ্বলতা ও মসৃণতা বাড়াতেও গাজর দারুণ কার্যকর।
গাজর ও মধুর ফেসপ্যাক
একটি গাজর ব্লেন্ড করে পেস্ট তৈরি করুন। এতে এক চামচ মধু মিশিয়ে ভালোভাবে নেড়ে নিন। মুখ ও গলায় সমানভাবে লাগিয়ে ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাক ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখে এবং স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনে। শুষ্ক ত্বকের জন্য সপ্তাহে দুই দিন ব্যবহার করা যেতে পারে।
টকদই ও গাজরের ফেসপ্যাক
গাজরের পেস্ট থেকে রস বের করে নিন। ২–৩ টেবিল চামচ গাজরের রসের সঙ্গে শসার রস ও এক চামচ টকদই মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি ভালোভাবে ফেটিয়ে ত্বকে লাগান। ১৫–২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বক এক্সফোলিয়েট করে মৃত কোষ দূর করে এবং ত্বককে সতেজ রাখে।
গাজর ও বেসনের প্যাক
এক চামচ গাজরের পেস্ট, এক চামচ দুধ এবং দুই চামচ বেসন একসঙ্গে মিশিয়ে ঘন প্যাক তৈরি করুন। মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে দিন। শুকিয়ে গেলে হালকা হাতে স্ক্রাব করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাক অতিরিক্ত তেল ও ময়লা পরিষ্কার করে এবং ট্যান কমাতে সাহায্য করে। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য এটি বিশেষ উপযোগী।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


