মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানকে চুক্তিতে আসার জন্য ১০ দিনের সময় বেঁধে দিয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) অবরুদ্ধ গাজার বোর্ড অব পিসের এক সম্মেলনে তিনি এ সময়সীমা ঘোষণা করেন।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমঝোতায় না এলে “খারাপ কিছু” ঘটতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
মূলত এ ঘোষণার পরপরই পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তেহরান। জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী দূত মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের কাছে পাঠানো চিঠিতে বলেছেন, ইরানে হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সব সামরিক ঘাঁটি ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে জবাব দেওয়া হবে।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, তেহরান যুদ্ধ চায় না; তবে আক্রমণ হলে তার জবাব দেওয়া হবে এবং এর সম্পূর্ণ দায় ওয়াশিংটনকেই নিতে হবে।
এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড নৌ-মহড়ার একটি ছবি প্রকাশিত হয়।
এ দিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল শুক্রবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, প্রথম ধাপে ইরানে সীমিত পরিসরে হামলার পরিকল্পনা থাকতে পারে। এতে সরকারি স্থাপনা ও নিরাপত্তা অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু হতে পারে, যার উদ্দেশ্য হবে তেহরানকে পরমাণু চুক্তিতে রাজি করাতে চাপ সৃষ্টি করা।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, নির্ধারিত শর্তে সমঝোতা না হলে পরবর্তীতে বড় ধরনের হামলা চালানো হতে পারে। সে ক্ষেত্রে লক্ষ্য হতে পারে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি সরকারের পতন ঘটানো।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


