মধ্যপ্রাচ্যে এরইমধ্যে পৌঁছেছে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ, মোতায়েন করা হয়েছে ইরানের কাছেই। এ ঘটনার পর আরও বেড়েছে আঞ্চলিক উত্তেজনা। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ফের সংঘাতে জড়াতে পারে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। এর মধ্যেই ট্রাম্পকে নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের একজন কর্মকতা।

ইরানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এবং ভাবাদর্শী হাসান রহিমপুর আজগাদি বলেছেন, তেহরানের উচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে বন্দি করা, ঠিক যেমন তিনি মাদুরোর সাথে করেছিলেন।
ইরানের বিক্ষোভের বিষয়ে ওয়াশিংটনের অবস্থানের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ মন্তব্য করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে।
এর আগে, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরাইল যদি কোনো হামলা চালায়, তাহলে এর কঠোর জবাব দেয়ার হুঁশিয়ারি দেন ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রেজা তালায়ি-নিক।
তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরাইলের পক্ষ থেকে কোনো আগ্রাসন হলে, তা আগের চেয়ে আরও যন্ত্রণাদায়ক ও চূড়ান্ত প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়বে।’
গত জুন মাসে হওয়া ১২ দিনের যুদ্ধের তুলনায় ইরানের সামরিক প্রস্তুতি এখন আরও বেশি বলেও জানান তিনি।
ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিমানবাহী রণতরী মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছানোর খবরের পর ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার (২৬ জানুয়ারি) জানিয়েছে, ইরানের কাছে বিদেশি যুদ্ধজাহাজের আগমন তেহরানের প্রতিরক্ষা অবস্থান বা কূটনীতির প্রতি তার দৃষ্টিভঙ্গিতে কোনো পরিবর্তন আনবে না।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, আমাদের অবস্থান স্পষ্ট। আমরা কখনো যুদ্ধকে স্বাগত জানাইনি, আবার কূটনীতি ও আলোচনার পথ থেকেও কখনো সরে আসিনি। এসব আমরা বাস্তবে দেখিয়েছি।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
ইরানের কাছে জনগণের সমর্থনে দেশ রক্ষার পূর্ণ ইচ্ছা ও সক্ষমতা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘বিদেশি যুদ্ধজাহাজের প্রবেশ দেশ রক্ষায় ইরানের দৃঢ়তা ও আন্তরিকতাকে প্রভাবিত করতে পারবে না।’
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


