প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বেসরকারি ও উন্নয়ন সংস্থাগুলোর উদ্ভাবনী শিক্ষা কার্যক্রমগুলোকে জাতীয় পর্যায়ে বিস্তৃত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিশেষ করে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ ও দুর্গম এলাকার শিশুদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে সফল ও কার্যকর মডেলগুলোকে আরও বড় পরিসরে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি জানান।

বুধবার (১০ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে ইউনেসকো আয়োজিত এক পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, জলবায়ু সহনশীল শিক্ষা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে ভাসমান বা নৌকাভিত্তিক বিদ্যালয় একটি কার্যকর ও পরীক্ষিত মডেল হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। বহু বছর ধরে পরিচালিত এই উদ্যোগকে আরও বিস্তৃত করার সুযোগ রয়েছে। দেশের অন্যান্য অনুরূপ এলাকাতেও এই অভিজ্ঞতা প্রয়োগের জন্য সংশ্লিষ্টদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শুধু উদ্যোগ গ্রহণই নয়, সেই উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়ন করে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সরকার ভবিষ্যতে এসব সফল শিক্ষা উদ্যোগকে জাতীয় পর্যায়ে সম্প্রসারণে সহায়তা করবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে তিনি ইউনেসকোকে বাংলাদেশের শিক্ষা উন্নয়নে ধারাবাহিক সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে ইউনেসকো কনফুসিয়াস সাক্ষরতা পুরস্কারপ্রাপ্ত সিধুলাই স্বনির্ভর সংস্থাকে অভিনন্দন জানান।
এ সময় গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধূরী, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহাপরিচালক দেবব্রত চক্রবর্তী, ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি সুসান ভাইজসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



