শহীদ ওসমান হাদির স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম শম্পাকে যমুনায় ডেকেছিলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। মূলত হাদির সন্তানকে দেখাশোনা করার যে সরকারি প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, সে জন্যই মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) তাকে ডাকা হয়েছিল।

বিষয়টি শম্পা নিজেই সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্যার আজকে তার বাসভবনে ফিরনাসকে এবং আমাকে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য ডেকেছিলেন ১২টায়। সেই আসা হলো, মাঝখানে আমার ইনকিলাবের ভাইবোনগুলোকে নির্যাতনের শিকার হতে হলো। এতে স্পষ্ট বোঝা যায়, এক পক্ষ এখনো সরকারের মধ্যে যারা হাসিনার দোসর।’
ওসমান হাদির বিষয়ে ড. ইউনূসের প্রচেষ্টা সম্পর্কে শম্পা বলেন, ‘যাই হোক, আসার উদ্দেশ্য জানা ছিল না। পরে বুঝতে পেরেছি ফিরনাসের দেখাশোনার জন্য ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্যার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেগুলোর কাগজপত্র হস্তান্তরের জন্য আমাদের আসতে বলা।
আমি তাকে স্পষ্ট করে বলেছি, আপনি কি আমার স্বামীর বিচারের ব্যাপারে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন, না হলে আমার ফিরনাস কোনো কিছুই গ্রহণ করবে না। তিনি আমাকে আশ্বস্ত করেছেন যে, তার হাতে যত কিছু আছে, ইনফ্যাক্ট জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে, যেভাবেই হোক এর সর্বশেষ পর্যন্ত তিনি যাবেন হাদিকে সঠিক বিচার পাইয়ে দিতে।’
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আলাপকালে চাকরির বিষয়ে হাদির স্ত্রী বলেন, ‘আমার ভাইবোনগুলোর ওপরে যে হামলা করা হয়েছে, তাতেও তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন। আমার জীবন, চাকরি এগুলোর ব্যাপারে জিজ্ঞেস করাতে আমি বলে দিয়েছি, আমি আমার নিজের যোগ্যতা দিয়ে জব নেব। আপনি ফিরনাসের জন্য যা করেছেন, অনেক শুকরিয়া। তিনি পুরোপুরি আশ্বাস দিয়েছেন, আন্তর্জাতিকভাবে এই হত্যার তদন্তের ব্যাপারে সর্বোচ্চ সহায়তা করবেন। সে আশ্বাস পেয়েই আমি ওখান থেকে এসেছি।’
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


