উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের গণভোটের ভোটগ্রহণ। আজ বৃহস্পতিবারসকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হয় ভোটগ্রহণ, চলে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।

ভোরের আলো ফোটার আগেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ভোটকেন্দ্রগুলোর সামনে জমতে শুরু করে মানুষের ভিড়। সকাল বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই ভিড় পরিণত হয় দীর্ঘ সারিতে। নারী, পুরুষ, তরুণ, প্রবীণ— সব বয়সী ভোটারদের উপস্থিতিতে অনেক কেন্দ্রেই তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।
পরে নির্ধারিত সময় সকাল সাড়ে ৭টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। তবে তার আগেই নির্বাচন কর্মকর্তারা কেন্দ্রে পৌঁছে ব্যালট বাক্স, ব্যালট পেপার, সিল, ভোটার তালিকা ও অন্যান্য সরঞ্জাম প্রস্তুত করেন। পোলিং কর্মকর্তাদের ব্যস্ততা আর নিরাপত্তাকর্মীদের সতর্ক উপস্থিতি মিলিয়ে কেন্দ্রগুলোতে তৈরি হয় নিয়ন্ত্রিত কিন্তু প্রাণবন্ত পরিবেশ।
রাজধানী ঢাকাসহ বিভাগীয় ও জেলা শহরগুলোতে সকাল থেকেই ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি চোখে পড়ে। কেউ পরিবার নিয়ে এসেছেন, কেউ আবার প্রতিবেশীদের সঙ্গে। ভোটকেন্দ্রের বাইরে ধৈর্য ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগের অপেক্ষায় থাকতে দেখা যায় তাদের।
অনেকেই বলেন, দীর্ঘ সময় পর ভোট দিতে পারার অনুভূতি আলাদা। এক ধরনের নাগরিক দায়িত্ববোধ এবং অংশগ্রহণের আনন্দ কাজ করছে সবার মধ্যে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের প্রতিটি কেন্দ্রে টহল দিয়েছেন। কোথাও পুলিশ, কোথাও র্যা, আবার কোথাও আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। ভোটারদের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তারা সক্রিয় রয়েছেন।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ হয়েছে ভোটগ্রহণ। এখন ভোট গণনা শেষে ফলের অপেক্ষায় আছেন প্রার্থী, দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থকসহ দেশের মানুষ।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


