রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) প্রতিনিধিরা। বৃহস্পতিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও ছাত্রসমাজের করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বৈঠক শেষে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম গণমাধ্যমকে জানান, তারেক রহমান ছাত্রসমাজের উদ্দেশ্যে অত্যন্ত সময়োপযোগী ও গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।
বৈঠকের শুরুতে ডাকসু প্রতিনিধি দলটি সদ্য প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শোক বইয়ে স্বাক্ষর করেন এবং তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। আলোচনার প্রধান দিকগুলো ছিল নিম্নরূপ—
বৈঠকে বিএনপি, জামায়াতসহ সব ফাসিবাদবিরোধী দল এবং ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরসহ সব ছাত্র সংগঠনকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার পরামর্শ দিয়েছেন তারেক রহমান।
এসময় জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে ফাসিবাদবিরোধী সব শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকার ওপর বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করেছেন তারেক রহমান। সাদিক কায়েম বলেন, ‘রাজনীতিতে নিজেদের মধ্যে ভিন্নতা বা বিভাজন থাকাটা গণতান্ত্রিক সৌন্দর্য। কিন্তু বাংলাদেশ এবং জুলাই বিপ্লবের প্রশ্নে আমাদের সবাইকে এক থাকতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘বিপ্লবের এই ঐতিহাসিক সুযোগকে কাজে লাগিয়ে আমাদের ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে হবে। অথচ বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে আমাদের মধ্যে যে বিভাজন তৈরি হয়েছে, সেই সুযোগ নিয়ে দিল্লির তাঁবেদার ও পতিত ফ্যাসিস্টরা নতুন করে ষড়যন্ত্র করছে।’
ডাকসু ভিপি বলেন, শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ অনুযায়ী, দেশের মাটি ও মানুষকে ভালোবেসে ‘বাংলাদেশপন্থি’ রাজনীতি এবং ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ জারি রাখা হবে আগামীর মূল লক্ষ্য।
বিগত ১৬ বছর তরুণ প্রজন্মের ভোট দিতে না পারার বিষয়টি উল্লেখ করে ডাকসু ভিপি বলেন, ‘একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য ছাত্র সমাজকে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালন করতে হবে।’
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


