
তিনি বলেন, সরকার সার্বিকভাবে চেষ্টা করছে একটা নিরাপদ শহর নাগরিকদের উপহার দেওয়ার জন্য। এছাড়া আমি নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে আপনাদের যেকোনো সমস্যায় পাশে আছি, থাকবো ইনশাআল্লাহ।
বুধবার (৬ মার্চ) দুপুরে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্সের সদরঘাট শাখা আয়োজিত জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি মহড়ায় প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন তিনি।
ঢাকা শহরের বিভিন্ন অগ্নিকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে সাঈদ খোকন বলেন, আমাদের এ শহর খুবই ঘনবসতিপূর্ণ। এখানে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড অনেক বেড়েছে, কিন্তু সেই তুলনায় সেবাদানকারী সংস্থার সক্ষমতা বাড়াতে পারিনি। তবে সরকার খুবই আন্তরিক, সরকার চেষ্টা করে যাচ্ছে মানুষকে সেবা দিতে। মানুষের পাশে দাঁড়াতে। এরকম দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে সচেতনতা খুবই জরুরি। কিন্তু আমাদের প্রবণতা হচ্ছে ভুলে যাওয়া। আমরা এসব দুর্ঘটনা না ভুলে সচেতন থাকলে অনেক ক্ষেত্রে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব।
সাবেক এই মেয়র বলেন, অগ্নিকাণ্ডের এই ধরণের ঘটনা যখন ঘটে তখন একটি পরিবার নিঃস্ব হয়ে যায়। যে মারা যায় সে তো চলেই গেলো, কিন্তু পরিবারের সদস্যদের জীবযাত্রা থেমে যায়। বয়স্ক মা-বাবার চিকিৎসা, সন্তানদের পড়াশোনা সবকিছু ব্যহত ব্যাহত হয়ে যায়। সুতরাং আমরা সচেতন হলে এই ভয়াবহ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে পারি। আমাদের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্যই আজকের এই আয়োজন, ফায়ার সার্ভিসের এই মহড়া সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য। এই সচেতনতার মাধ্যমে আপনার জন্য যেমন নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করবেন, তেমনি আপনার আশেপাশের সবার জন্যই নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত হবে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কে এম আবদুল ওয়াদুদ সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এবং ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি মহড়া উপকমিটির সভাপতি এ বি এম সফিকুল হায়দার, সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) ও তদন্ত কমিটির প্রধান লে. কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী প্রমুখ বক্তব্য দেন।
এছাড়াও এ দিন দুপুর ২ টায় মেয়র মোহাম্মদ হানিফ মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন কর্তৃক ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডে আয়োজিত অসহায় দরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণী কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নিয়ে প্রায় ২শত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন সাঈদ খোকন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



