ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রফেসর ইমেরিটাস হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় হামদর্দ ল্যাবরেটরিজ (ওয়াক্ফ) বাংলাদেশের ট্রাস্টি বোর্ডের ভাইস চেয়াররম্যান, বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. চৌধুরী মাহমুদ হাসানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন হামদর্দের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ মোতাওয়াল্লী ড. হাকীম মো.ইউছুফ ভূঁইয়া।

আজ (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর বাংলামটরস্থ প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ে এ শুভেচ্ছা জানান।
এ সময় সিনিয়র পরিচালক বিপণন, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন অধ্যাপক কামরুন নাহার হারুনসহ পরিচালকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যাল শিক্ষা, গবেষণা ও নীতিনির্ধারণে অধ্যাপক ড. চৌধুরী মাহমুদ হাসান একটি উজ্জ্বল ও সুপ্রতিষ্ঠিত নাম। ঔষধি উদ্ভিদ গবেষণা ও ফাইটোকেমিস্ট্রিতে অসাধারণ অবদানের মাধ্যমে তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
ড. চৌধুরী মাহমুদ হাসান ১৯৫৩ সালের ৩১ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.ফার্ম. (অনার্স) এবং এম.ফার্ম. (থিসিস গ্রুপ) ডিগ্রি অর্জন করেন যথাক্রমে ১৯৭৩ ও ১৯৭৪ সালে (পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৫ ও ১৯৭৬ সালে)। উভয় পরীক্ষায় তিনি প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি যুক্তরাজ্যের স্ট্র্যাথক্লাইড বিশ্ববিদ্যালয়, গ্লাসগো থেকে ফাইটোকেমিস্ট্রিতে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন (১৯৮২), যেখানে তিনি কমনওয়েলথ স্কলারশিপের অধিকারী ছিলেন।
১৯৭৮ সালের জানুয়ারিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগে শিক্ষকতা জীবন শুরু করেন ড. হাসান।
দীর্ঘ একাডেমিক জীবনে তিনি ১৯৯২ সালে অধ্যাপক পদে উন্নীত হন এবং বিভাগীয় চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ঢাবির ফার্মেসি অনুষদের ডিন হিসেবেও দুইবার (১৯৯৯-২০০৩) নির্বাচিত হন।
একাডেমিক দায়িত্বের পাশাপাশি তিনি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত তিনি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ঔষধ প্রশাসনের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। গবেষণা ও শিক্ষায় অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি হাবিবুর রহমান স্বর্ণপদক (২০০৩), বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমি স্বর্ণপদক (২০০৬), চন্দ্রাবতী স্বর্ণপদক (২০০৭) এবং অতীশ দীপঙ্কর স্বর্ণপদক (২০০৮) অর্জন করেছেন।
অধ্যাপক ড. চৌধুরী মাহমুদ হাসান বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যাল বিজ্ঞান ও গবেষণায় এক অনন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে সুপরিচিত।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


