বলিউডের আলোচিত অর্থ পাচার মামলায় নতুন মোড় নিয়েছে পরিস্থিতি। অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ এবার নিজেই জানিয়েছেন, তিনি তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করতে চান এবং প্রয়োজনে সরকারি সাক্ষী হিসেবেও সামনে আসতে প্রস্তুত।

এই মামলার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন প্রতারক সুকেশ চন্দ্রশেখর। গত ৭ এপ্রিল Delhi High Court তাকে শর্তসাপেক্ষে জামিন দিলেও একাধিক মামলা থাকায় এখনই কারাগার থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না। তার বিরুদ্ধে মোট ৩১টি ফৌজদারি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে এখনও কয়েকটি বিচারাধীন।
এই পরিস্থিতিতে মামলার শুনানিতে নতুন দিক তুলে ধরেন জ্যাকুলিন। তিনি জানান, তদন্তকারী সংস্থার সঙ্গে কাজ করতে চান এবং সত্য উদঘাটনে সহায়তা করতে প্রস্তুত।
শুনানির সময় Patiala House Court জানায়, সরকারি সাক্ষী হতে চাইলে তাকে আগে Enforcement Directorate-এর কাছে আনুষ্ঠানিক আবেদন করতে হবে। এরপর সংস্থাটি তার ভূমিকা ও সহযোগিতা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে।
আদালত ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে নোটিশ পাঠিয়েছে এবং মামলার পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ এপ্রিল। একইসঙ্গে জ্যাকুলিনকে ২৪ এপ্রিল থেকে ২৫ মে পর্যন্ত বিদেশ ভ্রমণের অনুমতিও দেওয়া হয়েছে, তবে শর্ত মেনে চলতে হবে তাকে।
তদন্তকারীদের দাবি, কারাগারে বসেই বড় ধরনের প্রতারণা ও চাঁদাবাজির নেটওয়ার্ক চালাতেন সুকেশ। অবৈধ অর্থের মাধ্যমে তিনি জ্যাকুলিনকে বিলাসবহুল উপহার দিয়েছেন—যার মধ্যে ছিল দামি ঘড়ি, ব্যাগ ও গয়না।
তবে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে জ্যাকুলিন বলেছেন, সুকেশের প্রকৃত পরিচয় তিনি জানতেন না। নিজেকে প্রভাবশালী ব্যবসায়ী পরিচয় দিয়ে তাকে বিভ্রান্ত করা হয়েছিল।
আরও পড়ুনঃ
৪৮তম মস্কো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ভাবনার রেড কার্পেট লুক
সব মিলিয়ে, মামলাটি এখন এক গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে দাঁড়িয়ে। জ্যাকুলিন যদি সত্যিই সরকারি সাক্ষী হন, তাহলে তদন্তে নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে—যার প্রভাব সরাসরি পড়তে পারে সুকেশের আইনি অবস্থার ওপর।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


