বিয়েবাড়ি হোক কিংবা অফিসের পার্টি— নিজেকে নিখুঁত দেখাতে আইব্রো প্লাক করা মাস্ট। কিন্তু অনেকেরই সমস্যা হলো থ্রেডিং কিংবা প্লাক করার পরেই ভ্রুর চারপাশ লাল হয়ে যায়। সেখানে দেখা দেয় ছোট ছোট ফুসকুড়ি আর অসহ্য জ্বালা। সংবেদনশীল ত্বকে এ সমস্যা আরও বেশি। তবে একটু সচেতন হলেই এ বিড়ম্বনা এড়ানো সম্ভব।

আর আপনি চাইলে থ্রেডিং কিংবা প্লাক করার পর ভ্রুর চারপাশের ত্বকের সমস্যা বেশি দেখা দেয়। কিন্তু আপনি একটু সচেতন হলেই এই বিড়ম্বনা দূর করা সম্ভব। তবে যাদের ত্বক খুব সেনসিটিভ, তারা প্লাক করার অন্তত ২৪ ঘণ্টা আগে কোনো কড়া কেমিক্যাল বা রেটিনলজাতীয় ক্রিম ব্যবহার করবেন না।
আর কোনো অনুষ্ঠানে যাওয়ার ঠিক আগের দিন আইব্রো প্লাক না করাই ভালো। অন্তত ২-৩ দিন আগে এটি সেরে ফেলুন। আর যদি ফুসকুড়িতে পুঁজ বা তীব্র চুলকানি হয়, সে ক্ষেত্রে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। সামান্য এই যত্নটুকু নিলেই আপনার সাজ হবে নিখুঁত। আপনি হয়ে উঠবেন অনন্যা।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে— আগাম প্রস্তুতি নেবেন কীভাবে? প্লাক করার আগে ত্বককে তৈরি করে নেওয়া জরুরি। প্রথমেই মুখ ভালো করে মাইল্ড ফেসওয়াশ দিয়ে ধুয়ে নিন। এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে তোয়ালে ভিজিয়ে ভ্রুর ওপর ২-৩ মিনিট চেপে ধরুন। এতে রোমকূপের মুখ খুলে যায়। ফলে লোম তোলার সময় টান কম লাগে এবং প্রদাহ কমে।
আর প্লাক করার সময় পরিষ্কার টুইজার ব্যবহার করা উচিত। ব্যবহারের আগে টুইজারটি স্যানিটাইজার বা অ্যালকোহল দিয়ে মুছে নিন। নোংরা সরঞ্জাম থেকে সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। লোম তোলার সময় তাড়াহুড়ো করবেন না। লোম যেদিকে বাড়ে, সেই অভিমুখেই আলতো করে টানুন। উলটো দিকে টানলে ত্বকে অতিরিক্ত চাপ পড়ে লালচে ভাব তৈরি হয়।
প্লাক করার পর ত্বক স্বাভাবিক করা সবচেয়ে জরুরি। তৎক্ষণাৎ অ্যালোভেরা জেল বা শসার রস লাগাতে পারেন। বরফ কাপড়ে মুড়ে মিনিট দুয়েক সেঁক দিলেও দারুণ কাজ দেয়। এটি ত্বকের জ্বালা কমিয়ে তাৎক্ষণিক আরাম দেয়। গোলাপজল ব্যবহার করলেও ত্বক দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে আসে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


