
আতিকুল বলেন, ‘হাসপাতালের সম্প্রসারিত অংশে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা অপ্রতুল ছিল। ফায়ার ফাইটার, ফায়ার ড্রিল এবং ফায়ার টিম ছিল না। ১১টি অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রের মধ্যে মাত্র ৩টির মেয়াদ ছিল। অন্য ৮টি অগ্নিনির্বাপন যন্ত্রের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যায়। হাইড্রেন্ট কে চালাবে, কে কাজ করবে, কার দায়িত্ব এগুলো সুনির্দিষ্ট করা ছিল না। হাসপাতালে মানুষ ভর্তি হয় আরোগ্য পেতে, কিন্তু এখানে অগ্নিদুর্ঘটনায় মারা গেলেন তারা। এটা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। সব হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করব আপনারা ফায়ার সেফটির উপর গুরুত্ব দিন।’
তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনা তদন্তে ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করছে সিআইডির ফরেনসিক টিম। তদন্তে কাজ করছে গুলশান থানা পুলিশ। ফায়ার সার্ভিস থেকে আগুনের কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে।’
পরিদর্শনকালে প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোমিনুর রহমান মামুন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তা, ১৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর জাকির হোসেন বাবুল উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, বুধবার রাতে রাজধানীর গুলশানে ইউনাইটেড হাসপাতালে করোনা রোগীর চিকিৎসার জন্য তৈরিকৃত আলাদা তাঁবুতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন পুরো তাঁবুতে ছড়িয়ে পড়ে এবং সেখানে করোনা উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন পাঁচজন রোগী মারা যান।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



