
বাবার কথা মনে পড়তেই গুগল ম্যাপে গিয়ে বাবাকে দাফন করা কবরস্থানে ঢুঁ মারতেন। গত দুই বছর এভাবেই দিন কেটেছে এলকুনের। তবে সম্প্রতি গুগল ম্যাপে গিয়ে দেখেন তার চির চেনা কবরস্থান উধাও।
এলকুনের মতো নিপীড়নের মুখে দেশ ছেড়ে বিদেশে আসা সকল উইঘুরের গল্পও একই রকম। উইঘুর মুসলিমদের নিধনে চীন সরকারের আগ্রাসন থেকে বাদ যায়নি কবরস্থানগুলোও।
সংবাদ মাধ্যম সিএনএন তাদের মাসব্যাপী এক অনুসন্ধান শেষে জানিয়েছে, চীন সরকার এখন পর্যন্ত শতাধিক উইঘুর কবরস্থান ধ্বংস করেছে। যার মধ্যে অধিকাংশই করা হয়েছে গত দুই বছরে।
এই অনুসন্ধান করতে গিয়ে সিএনএন উইঘুরদের সঙ্গে কথা বলেছে এবং স্যাটেলাইটে তোলা ছবি বিশ্লেষণ করেছে। এতে দেখা গেছে অন্তত ধ্বংসপ্রাপ্ত শতাধিক কবরস্থানের মধ্যে অন্তত ৬০টির কোনো অস্তিত্ব নেই।
কবরস্থান ধ্বংসের ব্যাপারে চীন সরকারের সঙ্গে সিএএন যোগাযোগ করলেও তারা কোন মন্তব্য করেনি। তবে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেন, ‘জিনজিয়াং সরকার সমস্ত জাতি গোষ্ঠীকে তাদের কবরস্থান, অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ও সমাধি পদ্ধতি নির্বাচন করতে পূর্ণ স্বাধীনতা দেয়।’
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


