
শান্তি ও সহিষ্ণুতার বিশ্ব সংস্কৃতিকে উৎসাহিত করার অংশ হিসেবে দুই দিনের বিশ্ব শান্তি সম্মেলন আয়োজনের মাধ্যমে ঢাকা এই পুরস্কার প্রদান করার পরিকল্পনা করেছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন রবিবার সন্ধ্যায় ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে বিশ্ব শান্তিতে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ বঙ্গবন্ধুর জুলিও ক্যুরি শান্তি পুরস্কার লাভের বার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন।
মোমেন বলেন, প্রগতিশীল ব্যক্তিত্ব ও বুদ্ধিজীবী যারা বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছেন, তাদের ঢাকায় বিশ্ব শান্তি সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সফলভাবে এই অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম এবং পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। অন্যদিকে সাবেক অর্থমন্ত্রী এ এম এ মুহিত ও কলামিস্ট আব্দুল গাফফার চৌধুরী ভার্চুয়ালি আলোচনায় যোগ দেন।
বাঙ্গালি জাতি-রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা এবং গণতন্ত্র ও শান্তি আন্দোলনের অগ্রদূত স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধুকে ১৯৭৩ সালের ২৩ মে বিশ্ব শান্তি পরিষদ জুলিও-ক্যুরি শান্তি পুরস্কার প্রদান করে।
বিশ্ব শান্তি পরিষদের শান্তি পুরস্কার ছিল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদানের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।
জুলিও-কিউরিও শান্তি পুরস্কার বাংলাদেশের জন্য প্রথম আন্তর্জাতিক পুরস্কার যা জাতির পিতাকে বঙ্গবন্ধু থেকে বিশ্ববন্ধুতে পরিণত করে।
ফিদেল কাস্ত্রো, হো চি মিন, ইয়াসির আরাফাত, সালভাদর আলেন্দে, নেলসন ম্যান্ডেলা, ইন্দিরা গান্ধী, মাদার তেরেসা, কবি ও রাজনীতিবিদ পাবলো নেরুদা, জওহরলাল নেহেরু, মার্টিন লুথার কিং এবং লিওনিদ ব্রেজনেভের মতো বিশ্ব নেতাদের এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



