
মানবপাচার ও অর্থপাচারের অভিযোগে ৬ জুন কুয়েতে গ্রেপ্তার করা হয় লক্ষ্মীপুর-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য কাজী শহীদ ইসলাম পাপুলকে। গ্রেফতারের পর আট দিনের রিমান্ডে বেরিয়ে আসে নানা তথ্য। ইতিমধ্যে পাপুলের বিরুদ্ধে সাক্ষী দিয়েছেন ৭ প্রবাসী বাংলাদেশি। সেখানেও উঠে আসে নানা তথ্য।
তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশকে কুয়েত সরকার কোন কিছু না জানালেও বাংলাদেশের বিভিন্ন সংস্থা পাপুল এবং তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে তদন্তে নেমেছে। পেয়েছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও।
কুয়েতের সিআইডি এবং স্থানীয়ভাবে তথ্য সংগ্রহ করে মানবপাচারের ব্যাপারে এমপি পাপুলের বিরুদ্ধে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছে বাংলাদেশের সিআইডি। এছাড়াও বিভিন্ন সময় গ্রেফতার হওয়া মানব পাচারকারীদের কাছ থেকেও নেওয়া হচ্ছে তথ্য।
সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেন, যেকোনো আদালতে অভিযোগ প্রমাণ হলে বাতিল হবে তার সংসদ সদস্য পদ।
এদিকে পাপুলের ঘটনা তদন্তে নেমেছে দুদক। ইতিমধ্যে এমপি পাপুল, তার স্ত্রী সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য সেলিনা ইসলাম, মেয়ে ওয়াফা ইসলাম ও শ্যালিকা জেসমিনের ব্যক্তিগত বিভিন্ন নথিপত্র তলব করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুদকের আইনজীবী।
শহীদ ইসলাম পাপুল মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত বলে এর আগে দেশ বিদেশের কয়েকটি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়েছিলো।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



