বছরের এই সময়টায় বেসরকারি স্কুল ও কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে একটা স্বাভাবিক প্রত্যাশা কাজ করে—বৈশাখী ভাতা কবে আসবে, কীভাবে পাওয়া যাবে। নতুন বাংলা বছরের আগে এই ভাতাটা তাদের জন্য শুধু অর্থনৈতিক সহায়তাই নয়, একধরনের স্বস্তিও এনে দেয়। সেই জায়গা থেকেই এবার একটি ইতিবাচক খবর এসেছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) ইতোমধ্যে বৈশাখী বোনাসের ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার বা EFT বিল জমা দেওয়ার অপশন চালু করেছে। ফলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীরা এখন নির্ধারিত প্রক্রিয়া মেনে সহজেই তাদের বিল সাবমিট করতে পারবেন।
শুক্রবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন মাউশির EMIS সেলের প্রোগ্রামার মো. জহির উদ্দিন। তিনি জানান, বৈশাখী বোনাসের বিল গ্রহণ কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। যারা দ্রুত বিল জমা দেবেন, তাদের ক্ষেত্রে ভাতা পাওয়ার প্রক্রিয়াও তুলনামূলক মসৃণ হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এদিকে, মার্চ মাসের বেতন নিয়েও কিছুটা অপেক্ষার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এখনো পর্যন্ত বেতনের প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি কিংবা শেষের দিকে এই প্রস্তাব পাঠানো হতে পারে।
EMIS সেলের তথ্য অনুযায়ী, মার্চ মাসের বেতনের বিল সাবমিট কার্যক্রম শুরু হয়েছে গত বুধবার থেকে এবং তা চলবে শনিবার পর্যন্ত। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব প্রতিষ্ঠান তাদের বিল জমা দিলে পরবর্তী ধাপে যাচাই-বাছাই শুরু হবে।
এই যাচাই প্রক্রিয়া শেষ হলে বিলগুলো অনুমোদনের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে কিছুটা সময় লাগলেও, সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন যেন কোনো জটিলতা ছাড়াই তা এগিয়ে যায়।
শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য এই দুইটি বিষয়—বৈশাখী ভাতা ও মাসিক বেতন—একসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে এই সময়ে। বিশেষ করে উৎসবকে সামনে রেখে অনেকেই এই অর্থের ওপর নির্ভর করে পরিকল্পনা করেন।
আরও পড়ুনঃ
বর্তমান পরিস্থিতিতে বলা যায়, বৈশাখী বোনাসের প্রক্রিয়া শুরু হওয়াটা একটি স্বস্তির দিক। এখন সবকিছু নির্ভর করছে সময়মতো বিল জমা ও দ্রুত প্রশাসনিক অনুমোদনের ওপর।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


