এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নতুন ই-রেজিস্ট্রেশন এবং বিদ্যমান ই-রেজিস্ট্রেশন হালনাগাদ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে রবিবার (৯ ফেব্রুয়ারি)। এই কার্যক্রম চলবে ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) পরিচালক (শিক্ষা তত্ত্ব ও শিক্ষামান) তাসনিম জেবিন বিনতে শেখের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকের শূন্যপদের তথ্য অনলাইনে সংগ্রহের লক্ষ্যে এই ই-রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
এনটিআরসিএ জানায়, শিক্ষক নিয়োগ সুপারিশ কার্যক্রমের পূর্বশর্ত হিসেবে প্রতিটি এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে অবশ্যই এনটিআরসিএর অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ই-রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে। ই-রেজিস্ট্রেশন ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠান ই-রিকুইজিশন (অনলাইন চাহিদা) পাঠাতে পারবে না এবং সেক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষক নিয়োগ সুপারিশের জন্য বিবেচিত হবে না।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এনটিআরসিএ আইন ২০০৫ ও সংশ্লিষ্ট পরিপত্র অনুযায়ী এমপিওভুক্ত শূন্যপদের ক্ষেত্রে ই-রেজিস্ট্রেশন ও ই-রিকুইজিশন বাধ্যতামূলক। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এ কার্যক্রম সম্পন্ন না করলে প্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের এমপিও বাতিলও করা হতে পারে।
নতুন ই-রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানকে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের (ইউএসইও) মাধ্যমে প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে হবে। যাচাই-বাছাই শেষে ইউএসইও এনটিআরসিএর ওয়েবসাইট অথবা টেলিটকের নির্ধারিত প্ল্যাটফর্মে প্রয়োজনীয় তথ্য এন্ট্রি করবেন। পরে প্রতিষ্ঠান প্রধানের মোবাইল নম্বরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড পাঠানো হবে।
অন্যদিকে, যেসব প্রতিষ্ঠান আগে থেকেই ই-রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেছে, তাদেরও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিজ নিজ ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে প্রোফাইল হালনাগাদ করে ‘সেভ অ্যান্ড সাবমিট’ করতে হবে। কোনো তথ্য অপরিবর্তিত থাকলেও এই ধাপ সম্পন্ন না করলে ই-রেজিস্ট্রেশন হালনাগাদ হিসেবে গণ্য হবে না।
ই-রেজিস্ট্রেশনের সময় প্রতিষ্ঠানের এমপিও কর্তৃপক্ষ, প্রতিষ্ঠানের ধরন, এমপিও স্ট্যাটাস, প্রতিষ্ঠান প্রধান ও গভর্নিং বডি বা ম্যানেজিং কমিটির চেয়ারম্যানের বিস্তারিত তথ্য নির্ভুলভাবে এন্ট্রি দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ভুল তথ্য দিলে পরে শূন্যপদের চাহিদা ও নিয়োগ সুপারিশে জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে এনটিআরসিএ।
এছাড়া নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ই-রেজিস্ট্রেশন প্ল্যাটফর্ম খোলা থাকা অবস্থায় প্রয়োজনে তথ্য সংশোধনের সুযোগ থাকবে। তবে সময়সীমা শেষে আর কোনো সংশোধন বা হালনাগাদ করা যাবে না।
আরও পড়ুনঃ
এনটিআরসিএ আরও জানায়, ই-রেজিস্ট্রেশনের পাসওয়ার্ড হারিয়ে গেলে সংশ্লিষ্ট জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা অথবা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সুপারিশসহ আবেদন করলে নতুন পাসওয়ার্ড দেওয়া হবে। তবে পাসওয়ার্ডের গোপনীয়তা রক্ষা করার দায়িত্ব প্রতিষ্ঠান প্রধানের বলেও জানানো হয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


