
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৭ আগস্ট পুলিশ হেফাজতে নির্যাতন করে জনিকে হত্যার অভিযোগ এনে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে মামলাটি দায়ের করা করেন জনির ভাই ইমতিয়াজ হোসেন রকি। ওই দিন আদালত মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন। ২০১৫ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি মহানগর হাকিম মারুফ হোসেন বিচার বিভাগীয় তদন্ত শেষে পাঁচ জনকে অভিযুক্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করেন। ২০১৬ সালের ১৭ এপ্রিল এসআই জাহিদসহ পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে এই মামলার বিচার কাজ শুরু করেন আদালত।
এ মামলার বিচার কাজ পরিচালনা করতে গিয়ে রাষ্ট্রপক্ষে মোট ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নিয়েছেন আদালত। গত ৯ ফেব্রুয়ারি আসামিরা আত্মপক্ষ সমর্থন করে বক্তব্য দেওয়ার পর ১৯ ফেব্রুয়ারি যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়। মাঝখানে করোনাভাইরাসের কারণে মামলাটির কার্যক্রমে কিছুটা শিথিলতা এলেও আগস্টে এসে সে প্রক্রিয়া শেষ হয়। সেই হিসাবে অভিযাগ গঠনের প্রায় সাড়ে চার বছর পর মামলাটির রায় ঘোষণা হলো আজ। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বাকি দুই আসামি হলেন এসআই রাশেদুল ইসলাম, এসআই কামরুজ্জামান মিন্টু। এছাড়া এ মামলায় পুলিশের দুই সোর্স রাসেল, সুমনকে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



