ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় নতুন মোড় নিয়েছে। মামলার অন্যতম দুই আসামি সঞ্জয় চিসিম এবং মো. ফয়সাল আদালতে নিজেদের অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি, ২০২৬) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলমের আদালত তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ আসামিদের আদালতে হাজির করে জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন জানালে আদালত তা মঞ্জুর করেন। জবানবন্দি শেষে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
র্যাব সদস্যরা নরসিংদী জেলার সদর থানার তরুয়ার বিল থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রটি উদ্ধার করেছে। এই সূত্র ধরেই আটক করা হয় মো. ফয়সালকে, যিনি প্রধান আসামি শ্যুটার ফয়সাল করিম মাসুদের শ্যালকের বন্ধু। অন্যদিকে, সঞ্জয় চিসিমের বিরুদ্ধে প্রধান আসামিকে ভারতে পালাতে সহায়তার অভিযোগ রয়েছে।
গত ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছিলেন। শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর মামলাটিতে এখন দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা (হত্যা মামলা) যুক্ত করা হয়েছে।
গত ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে হত্যাচেষ্টা মামলাটি করেন। পরবর্তীতে মামলাটিতে ৩০২ ধারা যুক্ত হয়েছে। এ মামলার এখন পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন, প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদের বাবা মো. হুমায়ুন কবির ও মা মোসা. হাসি বেগম, ফয়সালের স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, তার বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা ও তার শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ সিপু, রেন্ট-এ কার ব্যবসায়ী মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, ফয়সালের সহযোগী মো. কবির, ভারতে পালাতে সহযোগিতাকারী সিবিউন দিউ ও সঞ্জয় চিসিম এবং আত্মগোপনে সহায়তাকারী আমিনুল ইসলাম রাজু। এদের মধ্যে হুমায়ুন, হাসি, সামিয়া, লিমা, সিপু ও রাজু দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। এছড়া রিমান্ড শেষে নুরুজ্জামানকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


