
নদ-নদী অববাহিকার প্রায় সব চরের আমন বীজতলা, পাট, ভুট্রা ও সবজি ক্ষেত নিমজ্জিত হয়েছে। তলিয়ে গেছে গ্রামের রাস্তাঘাট, মাছের ঘের ও স্কুল। রৌমারী উপজেলার বাগুয়ারচরে নদী ভাঙনের কারণে ৫০টি পরিবার গৃহহীণ হয়েছে।
এদিকে সদরের হলোখানা ইউনিয়নের সারডোব, উলিপুর উপজেলা বজরা ইউনিয়নের চাঁদনির চর বজরায় এবং রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের গাবুর হেলান গ্রামে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ হুমকির মুখে রয়েছে ।
কুড়িগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক,হাফিজুর রহমান জানান, জেলায় বন্যা মোকাবেলার জন্য সব ধরণের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। বন্যার্তদের জন্য এ পর্যন্ত ৫০ মে. চন টাল, ২ লাখ ২৫ হাজার টাকা ও ২ হাজার শুকনো খাবারের প্যাকেট উপজেলা পর্যায়ে বন্টন করা হয়েছে। মজুদ আছে ১৫০ মে. টন চাল ও ৩লাখ টাকা।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



