Close Menu
Zoom Bangla News
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • শিক্ষা
  • আরও
    • লাইফস্টাইল
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • বিভাগীয় সংবাদ
    • অন্যরকম খবর
    • অপরাধ-দুর্নীতি
    • পজিটিভ বাংলাদেশ
    • আইন-আদালত
    • ট্র্যাভেল
    • প্রশ্ন ও উত্তর
    • প্রবাসী খবর
    • আজকের রাশিফল
    • মুক্তমত/ফিচার/সাক্ষাৎকার
    • ক্যাম্পাস
    • Jobs
    • জমিজমা সংক্রান্ত
Facebook X (Twitter) Instagram
Zoom Bangla News
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • শিক্ষা
  • আরও
    • লাইফস্টাইল
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • বিভাগীয় সংবাদ
    • অন্যরকম খবর
    • অপরাধ-দুর্নীতি
    • পজিটিভ বাংলাদেশ
    • আইন-আদালত
    • ট্র্যাভেল
    • প্রশ্ন ও উত্তর
    • প্রবাসী খবর
    • আজকের রাশিফল
    • মুক্তমত/ফিচার/সাক্ষাৎকার
    • ক্যাম্পাস
    • Jobs
    • জমিজমা সংক্রান্ত
Zoom Bangla News
Home স্লাইডার কোন ষড়যন্ত্রই আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে সরাতে পারবে না: প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় স্লাইডার

কোন ষড়যন্ত্রই আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে সরাতে পারবে না: প্রধানমন্ত্রী

By Hasan Majorনভেম্বর 3, 20208 Mins Read

জুমবাংলা ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিডিআর হত্যাকান্ড ও হেফাজতে ইসলামের পদক্ষেপসহ বেশ কয়েকটি ষড়যন্ত্রের উল্লেখ করে জনসমর্থনের প্রতি আওয়ামী লীগের আস্থা পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

Advertisement
তিনি বলেন, ‘কেউ চাইলেই আওয়ামী লীগকে ষড়যন্ত্র করে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিতে পারবে না। যখন আমরা ২০০৮ এর পর থেকে সরকারে এসেছি অনেক ভাবে ক্ষমতা থেকে উৎখাতের চেষ্টা করা হয়েছে, বিডি্আরের ঘটনা ঘটানো হলো, হেফাজতের ঘটনা ঘটানো, নানা ধরনের ঘটনা, বহু রকমের কারসাজির চেষ্টা করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ষড়যন্ত্র করে খুন করে ফেলা যায়, হত্যা করে ফেলা যায়, কিন্তু জনসমর্থন না থাকলে ক্ষমতায় গিয়ে কেউ ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারে না, মানুষের কল্যাণও করতে পারে না, এ হচ্ছে বাস্তবতা।’ প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা আজ বিকেলে জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ টিকে আছে কারণ এর তৃণমূলের নেতা-কর্মী অর্থাৎ এর শিকড়ের শক্তি অনেক গভীরে। কাজেই, সেটা যদি কারো চক্ষুশূল হয় বা সে কারণে কারো মনে ব্যথা হয় তাহলে আমাদের কিছু করার নেই। আমরা জনগণের সমর্থনটা পাই কারণ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে জনগণের স্বার্থে, জনকল্যাণে এবং জনগণের মঙ্গলে কাজ করে। আর এটা জনগণ খুব ভালভাবে উপলদ্ধি করে এবং এর শুভফলটা জনগণই পায়।’

আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের ওপর নির্মম অত্যাচার-নির্যাতনের ইতিহাস স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘হত্যা করা হয়েছে, গুম করা হয়েছে, কত পরিবার লাশ খুঁজে পায়নি। তারা কেবল হত্যাই করেনি একটি জাতির একটি প্রজন্মকে ধ্বংস করে দিয়েছে। আওয়ামী লীগ টিকে আছে শুধু জনগণের জন্য কাজ করার মধ্যে দিয়ে। কারও দয়া ভিক্ষে করে না, কারও করুণা ভিক্ষে করে না।’

জাতির পিতা, জাতীয় চার নেতাসহ বিভিন্ন সময় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের হত্যার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এত হত্যাকান্ড চালিয়েও তৃণমূলে যার শিকড় একেবারে গ্রথিত সেই সংগঠনের ক্ষতি তারা করতে পারেনি। আওয়ামী লীগ টিকে আছে কারণ এর তৃণমূলের নেতা-কর্মী, অর্থাৎ এর শিকড়ের শক্তি অনেক বেশি।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা শুধু এই দিবসটা পালন নয়, সেই সাথে সাথে আমাদের এই কথা মনে রাখতে হবে, যে সন্ত্রাসী চক্র, খুনী চক্র, স্বাধীনতা বিরোধী চক্র তারা কিন্তু বসে নাই। তাদের চক্রান্ত চলতেই থাকবে যত ভাল কাজই আমরা করি না কেন তাদের মুখ থেকে ভাল কথা বের হয় না।’

তিনি গণভবনের থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভেনিউস্থ পার্টি কার্যালয়ে মূল অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন। এতে আরো বক্তৃতা করেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা অপপ্রচার চালাবার বা সংঘাত সৃষ্টির চেষ্টা করে, মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে তাদেরকে আমি এটাই বলবো তারা কি ৩ নভেম্বরের ঘটনা কোনদিন ভেবে দেখেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মেধাবীদের এক হাতে জিয়াউর রহমান পুরস্কার আর অন্য হাতে অস্ত্র তুলে দিয়েছে। অস্ত্র, জঙ্গিবাদ, মাদক দিয়ে প্রত্যেকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তারা ধ্বংস করেছে। তারা তাদের অবৈধ ক্ষমতাকে বৈধ এবং কুক্ষিগত করার চেষ্টা করেছে।’ তিনি বলেন, ‘এদেশের নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, এই নির্বাচন কারা শুরু করেছিল।’ ভোট নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপনকারিদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘জিয়ার নির্বাচন দেখুক আর এরশাদের নির্বাচন দেখুক।’

খালেদা জিয়া সরকারের সময়ে ভোটার লিস্টে ১ কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটার অন্তর্ভুক্তির উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০০৬ সালের নির্বাচনের জন্য ১ কোটি ২৩ লাভ ভুয়া ভোটার দিয়ে ভোটার লিস্ট বানানো হলো। ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর বিএনপি বাংলাদেশকে ৫ বার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন করলো। বাংলাভাই, জঙ্গিবাদ সৃষ্টি হলো, এভাবেই একটা দেশকে তারা আবারো ধ্বংসের দিকে নিল। এরআগে ’৯১ সালে এই খালেদা জিয়া যুদ্ধাপরাধী জামায়াতের হাত ধরে ক্ষমতায় এসেছিল এরপর ’৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ভোটারবিহীন, রাজনৈতিক দলবিহীন নির্বাচন করলো।

তিনি বলেন, সে সময় আওয়ামী লীগের রাজপথের আন্দোলনে সে বছরের ৩০ মার্চ জনগণের অভ্যুত্থানে খালেদা জিয়া মাত্র দেড় মাসের মধ্যে পদত্যাগে বাধ্য হয় এবং ক্ষমতা থেকে চলে যায় ভোট চুরির অপরাধে। কাজেই, বিএনপি’র যে নেতারা কথা বলে তাদেরকে আপনারা এই কথাটা স্মরণ করিয়ে দেবেন। কারণ, মানুষ সে কথা ভুলে যায়নি।

১৯৭৫ সালের এই দিনে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অভ্যন্তরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর এবং পাকিস্তানে তাঁর আটককালীন মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব প্রদানকারি জাতীয় চার নেতা মুজিব নগরের প্রবাসী সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ, অর্থমন্ত্রী এম মুনসুর আলী এবং খাদ্য ও ত্রাণ মন্ত্রী এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সরকারের কার্যক্রমে একটি গ্রুপ বা এলিট শ্রেণীই কেবল সুবিধা পায় না বরং সুবিধাটা একেবারে গ্রাম পর্যায়ে তৃণমূল মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে যায়। সে কারণেই আমরা জনগণের সমর্থন পাই।

তিনি বলেন, ১৫ আগস্টের ঘটনাকে যারা কেবল একটি পারিবারিক ঘটনা বলে অপপ্রচার চালানোর চেষ্টা করেছিল তাদের আসল উদ্দেশ্যটা ধরা পড়ে যায় ৩ নভেম্বরের হত্যাকান্ডে। স্বাধীন বাংলাদেশের স্বাধীনতা যারা মানতে পারে নাই, স্বাধীন বাংলাদেশকেই যারা স্বীকার করে নাই, মানতে চায় নাই, তাদের দোসররাই ছিল এর মাঝে এবং তারাই ছিল এই হত্যাকান্ডের মূল হোতা। কেবল হত্যাকান্ড সংগঠন নয় পুরো আদর্শকেই পরিবর্তন করা হয়েছিল।

খন্দকার মোস্তাককে ‘বেইমান,’ ‘মীরজাফর’ আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, মোস্তাক বঙ্গবন্ধুকে হত্যা এবং ৩ নভেম্বরের জেলহত্যায় জড়িত ছিল। কারণ, সে ছিল রাষ্ট্রপতি এবং জিয়া ছিল তার প্রধান সেনাপতি। তাদেরই পরিকল্পনা এবং তাদেরই হুকুমে কারাগারের দরজা খুলে খুনীদের প্রবেশ করতে দেয়া হয় এবং তারাই হত্যাকান্ডটা ঘটায়। এরই ধারাবাহিকতায় জিয়াউর রহমান একদিকে সেনাপ্রধান অপরদিকে নিজেকে নিজে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা দেন। কাজেই, চক্রান্তটা যে কোথায় তা সহজেই বোঝা যায়, বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ’৭৫ এ জাতির পিতাকে হত্যার পর মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী জাতি হিসেবে বিশে^ যে সম্মান ছিল সেটাও আমরা হারিয়ে ফেলি এবং একটা খুনী জাতি হিসেবে মানুষের কাছে পরিচিত হতে হয়। মানুষের কাছে হাত পেতে, তাদের দয়া দক্ষিণা নিয়ে বাংলাদেশকে চলতে হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোটের সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ এবং দুর্নীতির কারণে দেশে জরুরী অবস্থা জারি হয় এবং ওয়ান ইলেভেন আসে এবং খালেদা জিয়ার পছন্দের লোকদের নিয়েই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসে। সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারও ক্ষমতায় এসে দল গঠনের চেষ্টা করে।

বেসরকারি খাতকে উন্মুক্ত করে দেওয়ায় নোবেল বিজয়ী ড. ইউনুসকে মোবাইল কোম্পানী পরিচালনার অনুমতি তাঁর সরকারই প্রদান করেছিল উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, ‘মোবাইল ফোনের ব্যবসাটা আমি উন্মুক্ত করে দিয়েছিলাম সকলের কাছে। তাই, ড. ইউনুসকেও একটা মোবাইল ফোনের ব্যবসা দিয়েছিলাম।’

তিনি বলেন, ‘সেই মোবাইল ফোন ব্যবহার করে ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম এবং গ্রামীণ ফোনের ড. ইউনুস গেলেন রাজনৈতিক দল করতে। জনগণের সারাও পেলেন না দলও গঠন করতে পারলেন না। ওয়ান ইলাভেনে কিংস পার্টি করতে এসেও জনসমর্থন পেলেন না।’

বিরোধী দলে থাকলেও মিথ্যা মামলা দিয়ে তাঁকেই (শেখ হাসিনা) আগে গ্রেফতার করে পুরো রাজনীতি ধ্বংসের প্রচেষ্টা করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগের প্রতি জনগণের যে ভালবাসা ছিল সেটা ২০০৮ সালের নির্বাচনের পূর্বে ক্ষমতাসীনরা আঁচ করতে না পারায়, সে সময়, একটা ঝুলন্ত সংসদ হবে বলেই তারা ধারণা করেছিল। জনগণের ব্যাপক সমর্থন নিয়ে সে সময় সরকার গঠনের পর একটার পর একটা ভোটে জয়ী হয়েই সরকার গঠন করেছি। কারণ, আমরা জনগণের জন্য কাজ করেছি।

তিনি বিএনপি’র কঠোর সমালোচনা করে বলেন, বাংলাদেশে রাজনৈতিক দল হিসেবে যারা পরিচয় দেয় তারা কাদের হাতে তৈরী করা।

তিনি বলেন, বিএনপি মাইক একটা লাগিয়ে সারাদিন আমাদের সমালোচনা করে যাচ্ছে। কিন্তু এখানে প্রশ্ন আসে এই রাজনৈতিক দলটার জন্ম কোথায়। এই রাজনৈতিক দলতো মাটি ও মানুষের মধ্য থেকে গড়ে ওঠেনি। যেমন আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব গড়ে তুলেছিলেন।

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যারা গড়ে তুলেছিলেন, তারা তো ক্ষমতায় ছিলেন না। তারা ক্ষমতায় না থেকেই মাটি ও মানুষের মাঝ থেকে বাংলাদেশের জনগণকে নিয়েই এই সংগঠনটা গড়ে তুলেছিলেন জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম করার জন্য। অন্যদিকে বিএনপির জন্মস্থানতো ক্যান্টনমেন্টে। সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান স্বঘোষিত রাষ্ট্রপতি হিসেবে ক্ষমতায় বসে এই দলটার সৃষ্টি করেছিলেন।’

তিনি বলেন, ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে যে দলের জন্ম হয় সে দল জাতিকে কি দেবে। জাতির জন্য কি করতে পারে তারা। তারাই এই দেশে দুর্নীতির বীজটা বপন করেছে। কারণ, দলভারি করার জন্য কিছু লোককে অবৈধ অর্থ বানানোর সুযোগ করে দিয়েছে, ঋণ খেলাপির সুযোগ করে দিয়ে একটা এলিট শ্রেণী তৈরী করেছে। যাদের ওপর নির্ভর করে ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তো করার চেষ্টা করেছে।

এ সম্পর্কে তিনি আরো বলেন, এরপর আবারো সেই ক্যু’র মধ্যদিয়েই এলো এরশাদ। সেও জিয়ার পদাংক অনুসরণ করে একদিন নিজেকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করলো। পরে একই প্রক্রিয়ায় দল গঠন করলো ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে।

তিনি বলেন, এইসব দল যখন রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিল তখন দেশের কি উন্নতি হয়েছে। সাধারণ মানুষের কি উন্নতি হয়েছে বা তারা কি দারিদ্র বিমোচন করতে পেরেছে? প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন তিনি।

তিনি সে সময়কার সুবিধাবাদী শ্রেণীর সমালোচনা করে বলেন, ‘জিয়া গণতন্ত্র দিয়েছে, বহুদলীয় গণতন্ত্র ইত্যাদি কথা বলে সে সময় অনেকেই চলে গেছে তার সাথে। কিন্তু একবারও কি তারা ভেবে দেখেছে যারা অবৈভভাবে সংবিধান লঙ্ঘন করে ক্ষমতায় আসে তারা গণতন্ত্র দিতে পারে না। আর সে গণতন্ত্র প্রকৃত গণতন্ত্র হয় না। কতগুলো দল করতে দিয়েই সেটা গণতান্ত্রিক বিধি ব্যবস্থা হয় না। তাই, যদি হোত তাহলে দেশের অনেক উন্নতি হতে পারতো, জনগণের কাছে জবাবদিহিতাটা থাকতো।’

তাঁর সরকারের বাক স্বাধীনতা এবং টিভি চ্যানেলকে বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার সুযোগে নানাজনে নানা ‘বচন’ দিচ্ছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘কারো কারো প্রশ্ন বাংলাদেশ কি একদলেই চলে যাচ্ছে। কারণ, সঙ্গে কমিউনিষ্ট পার্টি এবং বিভিন্ন সংঠন ও বাম রাজনৈতিক দল সঙ্গে থাকলেও মূল সংগঠন তো আওয়ামী লীগ।’

আর কোন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের এত হত্যা এবং নির্যাতনের স্বীকার কি হতে হয়েছে? সে প্রশ্ন উত্থাপন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের আর কোন রাজনৈতিক দলকে এভাবে মৃত্যুর মুখে পড়তে হয়নি। দেশের প্রত্যেক আন্দোলন-সংগ্রামে আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরাই জীবন দিয়েছে। মুজিব আদর্শের সৈনিকরাই বার বার জীবন দিয়ে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার কথা বলে গেছে।

তিনি ইউরোপসহ বিশে^র বিভিন্ন উন্নত দেশে কোভিড-১৯ এর প্রাদুর্ভাব নতুন করে বেড়ে যাওয়ায় জনগণকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলা এবং বাইরে বের হলেই মাস্ক ব্যবহারের বিষয়ে পুনরায় সতর্ক করেন। সূত্র: বাসস

fXinmwalink@tg
Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow iNews Zoombangla On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from iNews Zoombangla in your Google news feed.

Follow iNews Zoombangla On Google
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।
Hasan Major
  • Facebook
  • X (Twitter)
  • Instagram

Md. Mahamudul Hasan, widely known as Hasan Major, is a career journalist with over two decades of professional experience across print, broadcast and digital media. He is the founding Editor of Zoombangla.com. He has previously worked for national English daily New Age, The Independent, The Bangladesh Observer, leading Bangla daily Prothom Alo and state-owned Bangladesh Betar. Hasan Major holds both graduate and postgraduate degrees in Communication and Journalism from the University of Chittagong.

Related Posts
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

রাজধানীর তিন বাস টার্মিনাল স্থানান্তরে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

জুন 15, 2026
যানজট নিরসন

মহাখালী-সায়দাবাদ-গুলিস্তান থেকে বাস টার্মিনাল সরানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

জুন 15, 2026
PAY-SCALE

নতুন পে স্কেলে বাতিল হচ্ছে সরকারি চাকরিজীবীদের ‘বিশেষ সুবিধা’ 

জুন 15, 2026
Latest News
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

রাজধানীর তিন বাস টার্মিনাল স্থানান্তরে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

যানজট নিরসন

মহাখালী-সায়দাবাদ-গুলিস্তান থেকে বাস টার্মিনাল সরানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

PAY-SCALE

নতুন পে স্কেলে বাতিল হচ্ছে সরকারি চাকরিজীবীদের ‘বিশেষ সুবিধা’ 

ViSa

ভারতের ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নতুন নির্দেশনা

Benzir

গ্রেফতারের পর নতুন করে আলোচনায় বেনজীরের যত অপকর্ম

Hasnat

অক্সফোর্ড ইউনিয়নের অনুষ্ঠান শেষে আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের ‘মিডল ফিঙ্গার’ দেখালেন হাসনাত

Kurigram

পতাকা বৈঠকেও হয়নি সমাধান, ৯ জনের শূন্যরেখায় অবস্থান

ফ্যামিলি কার্ডের টাকা

স্ত্রীর কাছে যাবে ফ্যামিলি কার্ডের টাকা, লেনদেন ‘টাকা পে’ অ্যাপসে

স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আদ্ দ্বীন প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, আমরা হাসপাতাল বন্ধ করেছি কিন্তু মেডিকেল কলেজ বন্ধ করিনি

নবম পে স্কেল

নতুন পে স্কেলে বাতিল হচ্ছে সরকারি চাকরিজীবীদের ‘বিশেষ সুবিধা’

 

Inews

ZoomBangla iNews is your trusted destination for fast, accurate, and relevant Bangla News. We bring you the latest Bengali news from Bangladesh, India, and around the world. From breaking Bangla news to in-depth coverage of politics, sports, entertainment, lifestyle, and technology—ZoomBangla iNews delivers the stories that truly matter to Bangla news readers.

  • About Us
  • Contact Us
  • Career
  • Advertise
  • DMCA
  • Privacy Policy
  • Feed
  • Authors
  • Editorial Team Info
  • Ethics Policy
  • Correction Policy
  • Fact-Checking Policy
  • Funding Information
© 2026 ZoomBangla Pvt Ltd. - Powered by ZoomBangla

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

tgXwa