
বৈঠকে সিনিয়র আইজীবীরাও ছিলেন। এ সময় জামিন শুনানির প্রেক্ষাপটে আইনজীবীদের সঙ্গে খালেদা জিয়ার মামলার সর্বশেষ অবস্থা পর্যালোচনা করেন বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটি।
গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে দুই ঘণ্টার এই বৈঠক হয়। তবে বৈঠকের পর গণমাধ্যমে কোনো কথা বলেননি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
লন্ডন থেকে স্কাইপেতে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। এ ছাড়া বৈঠকে আরও ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের মধ্যে ছিলেন অ্যাডভোকেট এজে মোহাম্মদ আলী, অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন, ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন প্রমুখ।
গত রোববার খালেদা জিয়ার চিকিৎসাবিষয়ক তিন অবস্থার তথ্য জানতে চান হাইকোর্ট। মেডিকেল বোর্ডের সুপারিশ অনুসারে খালেদা জিয়া অ্যাডভান্স থেরাপির জন্য সম্মতি দিয়েছেন কিনা, দিলে সেই চিকিৎসা শুরু হয়েছে কিনা, চিকিৎসা শুরু হলে এখন কী অবস্থা, তা জানিয়ে বুধবারের মধ্যে আদালতে এ প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়।
এ দিকে বুধবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ওই প্রতিবেদন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র মোহাম্মদ সাইফুর রহমান। বৃহস্পতিবার জামিনের শুনানির দিন ধার্য রয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



