লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত বাংলাদেশি নাগরিক আলী হোসেনের (৫০) মরদেহ প্রায় ১৭ ঘণ্টা পর ফেরত দিয়েছে বিএসএফ।
বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকাল ৪টার দিকে সীমান্ত পিলার ৮৬৮/৩ সংলগ্ন এলাকায় বিএসএফ মরদেহ ফেরত দেয়। এ সময় ধবলগুড়ি বিওপির পক্ষ থেকে কমান্ডার জেসিও নম্বর ৯১৬৭ নায়েব সুবেদার মো. আমিরুল ইসলাম এবং বিএসএফের পক্ষ থেকে ১৫৬ ব্যাটালিয়নের শ্রীমুখ কোম্পানি কমান্ডার এসি রাজেশ কুমার ইয়াদব উপস্থিত ছিলেন।
তিস্তা-৬১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সৈয়দ ফজলে মুনীম সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মরদেহ হস্তান্তরের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, মঙ্গলবার গভীর রাতে পাটগ্রামের ধবলগুড়ি সীমান্তের শূন্য রেখে থেকে প্রায় ৫০০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে ৮৭৪ নম্বর পিলারের ৫ নম্বর সাব-পিলারের কাছে বিএসএফের গুলিতে আলী হোসেন নিহত হন। তিনি উপজেলার ধবলগুড়ি পূর্ব পানিয়ারটারী গ্রামের মৃত আব্দুল গফুরের ছেলে।
বিএসএফ কর্তৃপক্ষ জানায়, ৭-৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক ভারতীয় সীমান্তে তারকাঁটা বেড়া কাটার উদ্দেশ্যে অনুপ্রবেশ করেন। বিএসএফ সদস্যরা প্রথমে সতর্কতামূলক গুলি ছুড়লে উভয় পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে আলী হোসেন গুলিবিদ্ধ হন। পরে বিএসএফ তাকে উদ্ধার করে ভারতের একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


