
জানা গেছে, ১৯২৮ সাল থেকে চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা গ্রামের মরহুম পীর মাওলানা ইসহাক (রহ.) চন্দ্র মাস ও সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে এ এলাকায় রোজা ও দুটি ঈদ উদযাপন প্রচলন করেন। তার সেই ধারা অনুযায়ী অনুসারীরা এখনও তা পালন করে আসছেন।
হাজীগঞ্জের সাদ্রা সিনিয়র মাদ্রাসা মাঠ, দক্ষিণ বলাখাল, ওলিপুর, ফরিদগঞ্জের বদরপুর, উভারামপুর, টোরা মুন্সিরহাটসহ আরো কয়েকটি এলাকায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ঈদের জামাত শেষে এসব এলাকাসহ অর্ধশত গ্রামের মুসলিম সম্প্রদায় পশু কোরবানি দেবেন।
আজ ঈদ উদযাপন করা গ্রামগুলোর মধ্যে রয়েছে- হাজীগঞ্জ উপজেলার বলাখাল, শ্রীপুর, মনিহার, বরকুল, অলীপুর, বেলচোঁ, রাজারগাঁও, জাকনি, কালচোঁ, মেনাপুর; ফরিদগঞ্জ উপজেলার শাচনমেঘ, খিলা, উভারামপুর, পাইকপাড়া, বিঘা, উটতলী, বালিথুবা, শোল্লা, রূপসা, বাশারা, গোয়ালভাওর, কড়ইতলী, নয়ারহাট; মতলবের মহনপুর, এখলাসপুর, দশানী, নায়েরগাঁও, বেলতলীসহ কচুয়া ও শাহরাস্তির বেশ কয়েকটি গ্রাম।
এদিকে করোনা পরিস্থিতিতে ঈদের জামাতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা হয় কিনা এবং ঈদ উৎসবকে নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসনের কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্য এসব এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বলে চাঁদপুর জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



