
টাইমস অফ ইন্ডিয়া-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাফা বে বলেছেন, ‘ইমরানের (সন্তান) জন্য আমরা একটা ইনস্টাগ্রাম একাউন্ট বানিয়েছিলাম। তাতে পোস্ট করার উদ্দেশ্যই ছিল ভবিষ্যতের জন্য দারুণ কিছু স্মৃতি জমিয়ে রাখা। আমিই ওই একাউন্টটি ব্যবহার করি। ওখানে পোস্ট করার সময় নিজের ছবি আবছা করে দেওয়ার সিদ্ধান্তও আমার। এখানে ইরফানের কোনো হাত নেই। কীভাবে পোশাক পরা উচিত, নিজের ছবি সর্বসমক্ষে দেখাব কিনা- তা নিয়ে যে কোনো ব্যক্তির সিদ্ধান্ত নেওয়ার যথেষ্ট অধিকার রয়েছে। আর সাইবার বুলিং কিন্তু একদমই গ্রহণযোগ্য নয়।’
ইরফানের মানসিকতার একটা উদাহরণ দিয়ে সাবেক সৌদি মডেল সাফা বেগ বলেন, ‘বিয়ের পর যখন পাকাপাকিভাবে ভারতে চলে আসি, তখন পাসপোর্ট অফিসে যেতে হয়েছিল। নতুন করে তথ্য জানিয়ে নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করার জন্য। কাউন্টারে থাকা নারীকে জানাই, আমি নিজের পদবীই ব্যবহার করতে চাই। সেই সময় সেই নারী ইরফানকে তিনবার জিজ্ঞাসা করেন, ‘স্যার, উনি যদি আপনার পদবী ব্যবহার না করেন, আপনার সমস্যা নেই তো?’ ইরফানের জবাব ছিল, ‘সাফার যদি এতে সমস্যা না হয়, আমার কেন হবে! নিজের বিষয়ে সমস্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার তার আছে।’
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



