
শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার সৈয়দপুর এলাকায় অ্যাম্বুলেন্স দু’র্ঘটনায় তিনি নিহত হন। এ সময় কফিনবাহী অ্যাম্বুলেন্সটি রাস্তা থেকে প্রায় ২০ ফুট নিচের খাদে পড়ে যায়। খবর পেয়ে শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পিতা-পুত্রের লাশ উদ্ধার করে।
শেরপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওয়াহিদুজ্জামান জানান, দুর্ঘটনায় নিহত আলী আহমদের ছেলে জজ মিয়া (২২) প্রায় এক মাস আগে সৌদি আরবে মা’রা যান। শুক্রবার বিকেলে তার ম’রদেহের ক’ফিন সিলেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দেরে এসে পৌঁছে। এ সময় ছেলের কফিনটি গ্রহণ করে অ্যাম্বুলেন্সযোগে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন আলী আহমদ।
অ্যাম্বুলেন্সটি বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সৈয়দপুর এলাকায় পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পিকআপ ভ্যান হঠাৎ রং সাইডে চলে যায়। তাৎক্ষণিক অ্যাম্বুলেন্স চালক দুর্ঘটনা এড়াতে চাইলে অ্যাম্বুলেন্সটি রাস্তার পাশের প্রায় ২০ ফুট নিচের একটি খাদে পড়ে যায়।
পরে খবর পেয়ে শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ছেলের কফিন এবং বাবার ম’রদেহটি উদ্ধার করে।
এদিকে, দুর্ঘটনার পর পরিবারের লোকজন ছেলের ম’রদেহের ক’ফিনটি বাড়িতে নিয়ে গেছেন। তবে নি’হত বাবা আলী আহমদের ম’রদেহ শেরপুর হাইওয়ে থানায় রাখা হয়েছে। সেখানে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ আধুনিক জেলা সদর হাসপাতাল ম’র্গে পাঠানো হবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



