
ওই শিশুর পরিবারের অভিযোগ, অন্য পথশিশু ও টার্মিনালের এক শ্রমিক মঙ্গলবার রাতে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে নাহিদের রক্ত পরীক্ষা করায়। পরদিন পরদিন রিপোর্ট সংগ্রহের পর দেখা যায় শিশুটি ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত। কিন্তু সে সময় শিশুটিকে হাসপাতালে নেয়া হলেও ভর্তি করেননি চিকিৎসকরা।
শিশুর বাবা বলেন, আমরা ওকে নিয়ে গেলাম। তিনি বসে বসে টাকা গুণছেন কিন্তু ওর টেস্ট করলেন না।
খবর পেয়ে মিরপুরের এক বাসিন্দা টার্মিনালে পড়ে থাকা শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এসময় হাসপাতালে ভর্তি না করার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে উত্তেজিত হয়ে ওঠেন কর্তব্যরত কয়েকজন ইন্টার্ন চিকিৎসক। একপর্যায়ে সাংবাদিকদের ওপরও চড়াও হন তারা।
এদিকে ডেঙ্গু আক্রান্ত পথ শিশুটিকে ভর্তি না করার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে জানান হাসপাতালটির পরিচালক।
তিনি বলেন, আমরা ডেঙ্গু রোগী ভর্তি নিচ্ছি না, এটা ঠিক না। তবে সব ডেঙ্গু রোগীকেও আমাদের পক্ষে ভর্তি করা সম্ভব নয়। বিষয়টি নিয়ে আগামীকাল আমি ব্যবস্থা নিচ্ছি।
বুধবার দিনভর এসব ঘটনার পর পথশিশুটির সুচিকিৎসার কথা বিবেচনা করে তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেছেন শাহীন নামে মিরপুরের এক বাসিন্দা।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



