
২০১৮ সালের জুলাই মাসে আটক করা হয়েছিল সামার বাদাউয়ি ও নাসিমা আল-সাদাহকে। সৌদি আরবের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে তাদের সঙ্গে আরও বেশ কয়েকজন অ্যাক্টিভিস্টকে আটক করা হয়েছিল। এই আটকের ঘটনায় আন্তর্জাতিক নিন্দার মুখে পড়ে সৌদি আরব।
সৌদি সরকারের মিডিয়া কার্যালয় এই মুক্তির বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি। এই দুই নারী অ্যাক্টিভিস্টের বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষের অভিযোগ সম্পর্কেও বিস্তারিত জানানো হয়নি। তাদের বিচারও প্রকাশ্যে হয়নি।
এর আগে ফেব্রুয়ারি মাসে গুরুত্বপূর্ণ অ্যাক্টিভিস্ট লুজাইন আল-হাথলুলকে মুক্তি দেয় সৌদি সরকার। সাইবার অপরাধ ও সন্ত্রাসদমন আইনে সাজার অর্ধেক ভোগের পর তিনি মুক্তি পান। তার বিরুদ্ধে এখনও পাঁচ বছরের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বাদাউয়ি ও সাদাহের মুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে। টুইটারে সংগঠনটি লিখেছে, এই সাহসী নারীদের আটক করাই উচিত হয়নি। সৌদি আরবে পরিবর্তনে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তাদের প্রশংসিত হওয়া উচিত ছিল।
২০১২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারন্যাশনাল উইম্যান অব কারেজ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন বাদাউয়ি। সৌদি আরবের পুরুষ অভিভাবকত্ব ব্যবস্থার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য তিনি এই পুরস্কার পান। নারীদের গাড়ি চালানো এবং স্থানীয় নির্বাচনে ভোট ও প্রার্থী হওয়ার অনুমতির জন্য এক আবেদনে স্বাক্ষর করা নারীদের মধ্যে প্রথম সারিতে ছিলেন এই অ্যাক্টিভিস্ট।
শিয়া অধ্যুষিত কাতিফ প্রদেশের সাদাহও পুরুষ অভিভাবকত্ব ব্যবস্থা বাতিলের পক্ষে প্রচার চালিয়েছেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



