জুমবাংলা ডেস্ক : মশা মারতে ড্রোন দাগানের পর এবার ‘ব্যাঙ’ দাগাবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। আর সেই ‘ব্যাঙ’ এর জন্য দোয়া চেয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত সচিব) এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী। বলেছেন, দোয়া করবেন, ব্যাঙগুলো যেন বেঁচে থাকে। ব্যাঙ বাঁচলে মশা মরবে।
প্রবাদে আছে মশা মারতে কামান। তবে গত কয়েক সপ্তাহে নগরজুড়ে মশার যে উৎপাত তাতে মশাকে বশে আনতে বড় আয়োজনের বিকল্প নেই। কিছুদিন আগে রাজধানীর বনানী লেকে মশক নিধনে কামান নয় উড়ানো হয়েছিল ড্রোন।
এবার আরো গভীরে যেতে চায় ডিএসসিসি। মশা মারতে খাল, জলাশয়, নালা, ড্রেনসহ বিভিন্ন জলাশয়ে ব্যাঙ ছাড়ার পরিকল্পনা করেছে সংস্থাটি। ডিএসসিসির ভাষ্য, ব্যাঙ ছাড়ার ফলে জীব-বৈচিত্র্যে যেমন ভারসাম্য ফিরে আসবে তেমনই পানিতে ভাসতে থাকা মশার লার্ভাগুলোও খেয়ে ফেলবে তারা। ফলে মশার বংশবিস্তার রোধ করা যাবে। স্বস্তি মিলবে নগরবাসীর।
যেমন ভাবা তেমন কাজ। এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নিয়ে আসা হয়েছে কয়েক হাজার ব্যাঙের পোনা। সেগুলো ছাড়াও হচ্ছে বিভিন্ন খাল, জলাশয়, নালা ও ড্রেনে। ডিএসসিসির আশা, এই ব্যাঙের পোনাই একদিন বড় হবে এবং মশার লার্ভা খেয়ে নগরবাসীকে মশার অত্যাচার থেকে রক্ষা করবে।
জলাশয়ে ব্যাঙ ছাড়ার প্রসঙ্গে গণমাধ্যমকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত সচিব) এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী বলেন, পরীক্ষামূলকভাবে আমরা ব্যাঙের পোনা ছেড়েছি। দোয়া করবেন, ব্যাঙগুলো যেন বেঁচে থাকে। ওরা বড় হলে মশার লার্ভা খাবে। একই উদ্দেশে একটি পুকুরে আমরা রাজহাঁস এবং পাতিহাঁস ছাড়ব।
তবে মশা নিধনে ডিএসসিসি এমন কার্যক্রম এবারই প্রথম নয়। ২০১৮ সালে গাপ্পি মাছ দিয়েও একবার মশক নিধনের চেষ্টা চালিয়েছিলেন তারা। তবে সেবারও কোনো সুফল আসে নি। ২০২০ সালে লেকে হাঁস ছেড়েও মশক নিধনের চেষ্টা চালানো হয়। তবে মশা না কমলেও সময়ের সাথে হারিয়ে গেছে সেই হাঁসগুলো।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


