নাইজেরিয়ার একটি বাজারে বিমান হামলায় ১০০ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। তবে মঙ্গলবার একটি মানবাধিকার সংস্থার এই দাবি নাইজেরিয়ার সামরিক বাহিনী অস্বীকার করেছে।
এদিকে দেশটির অস্থিতিশীল উত্তরাঞ্চলে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের লড়াইয়ের দিকে ক্ষমতাসীনদের আবারও মনোযোগ ফিরেছে।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল সোমবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, রবিবার জামফারা রাজ্যের তুমফা শহরের একটি বাজারে সামরিক বাহিনী বিমান হামলা চালিয়েছে। রাজ্যের রেড ক্রসের একজন কর্মকর্তা ইব্রাহিম বেলো গারবা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে এই হামলার কথা নিশ্চিত করেন এবং বলেছেন, একাধিক বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল নাইজেরিয়ার পরিচালক ইসা সানুসি এপিকে বলেন, ‘শুধু একটি গ্রামেই ৮০ জনকে দাফন করা হয়েছে এবং নিহতদের মধ্যে কেউ যে দস্যু ছিল, তার কোনো প্রমাণ নেই।
তারা সবাই বেসামরিক নাগরিক। তাদের অধিকাংশই অল্পবয়সী মেয়ে ও ছোট ছেলে।’
নাইজেরিয়ার সেনাবাহিনী বলেছে, তারা বিমান হামলা চালিয়েছে, তবে বেসামরিক মানুষ নিহত হওয়ার কোনো নিশ্চিত প্রমাণ তারা পায়নি।
সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল মাইকেল ওনোজা বলেন, ‘সাধারণ মানুষকে লক্ষ্য করা হয় না এবং তাদের ক্ষতি এড়াতে চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি জানান, ‘ওই এলাকায় সামরিক অভিযান এখনো চলছে।’
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল অভিযোগ করেছে, জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযানে ভুলবশত অনেক সাধারণ মানুষ হতাহত হচ্ছে। এর আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে। গত মাসে নাইজেরিয়ার বিমানবাহিনীর ভুল হামলায় প্রায় ১০০ জন মারা যান।
বিশ্লেষকদের মতে, বিমানবাহিনী ও মাটিতে থাকা সেনাদের মধ্যে সমন্বয়ের অভাবের কারণে এ ধরনের ভুল হামলা ঘটে।
যদিও সরকার বলছে, তাদের আসল লক্ষ্য জঙ্গিগোষ্ঠীর সদস্যরা। সমস্যা হলো, বোকো হারামের মতো জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো প্রায়ই সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে থাকে। তাই তাদের আলাদা করে শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


