
করোনা সংক্রমণরোধ চলমান নির্দেশনা না মানলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর বিধিনিষেধ দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। আজ বৃহস্পতিবার (৬ মে) তিনি গণমাধ্যমকে এ কথা জানান। তিনি বলেন, করোনা সংক্রমণরোধে আগামী ১৬ মে পর্যন্ত বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়িয়েছে সরকার। ঈদ উপলক্ষেও একাধিক নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বিধিনিষেধগুলো হল- ঈদের ছুটিতে নিজ নিজ কর্মস্থালে অবস্থান করা, স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকানপাট ও শপিংমল খোলা, মাস্কের ব্যবহার শতভাগ নিশ্চিত করা, জনসমাগম হয় এমন সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান বন্ধ রাখা।
এই নিয়মগুলো না মানলে সংক্রমণ আরও বাড়বে। সেক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরও কঠোর করা হতে পারে। ভারতের বর্তমান যে পরিস্থিতি, তাতে আমাদেরও শঙ্কা রয়েছে সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার। আমাদের যাতে ওই পরিস্থিতি না হয়, তার জন্য যে যেখানে আছেন সেখানেই ঈদ করুন। প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, মানুষ যাতে কর্মস্থল ছাড়তে না পারে সেজন্য বিশেষ নজরদারি থাকবে। বিশেষ করে ঢাকা বা চট্টগ্রামের মত বেশি সংক্রমিত এলাকা থেকে যাতে মানুষ বের হতে না পারে সেজন্য পুলিশের চেকপোস্ট বসানো হবে।
এর আগে সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠক শেষে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকেদের মন্ত্রিপরিষদসচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে শর্তসাপেক্ষে আগামী ৬ মে থেকে জেলার ভেতরে গণপরিবহন চলবে। তবে গণপরিবহন জেলার ভেতরে চলাচল করতে পারবে। আন্তজেলা চলাচল করবে না। তিনি বলেন, মালিক সমিতি আমাদের কথা দিয়েছে, কোনোভাবে গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি ভঙ্গ করা হবে না। তাহলে বন্ধ করে দেওয়া হবে। এটা আমরা দেখব। লঞ্চ এবং ট্রেন বন্ধ থাকবে। যেহেতু ওগুলো এক জেলা থেকে আরেক জেলায় যায়। সুতরাং বন্ধ থাকবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



