অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় ফনি শুক্রবার সকালের ভারতের উড়িষ্যায় গোপালপুরে আঘাত হানার পর সেটি দেশটির উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অতিক্রম করা শুরু করেছে। এখন পর্যন্ত রাজ্যটিতে চারজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। খবর ওডিসাসানটাইমস।
এদিকে, শক্তিশালী সামুদ্রিক ঝড় ‘ফণী’-র প্রভাবে উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালীর অন্তত ১০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত থেকে পটুয়াখালী ও বরগুনায় ঝড়ো হাওয়াসহ গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এ ছাড়া বৃদ্ধি পেয়েছে সমুদ্রের ঢেউয়ের উচ্চতা।
শুক্রবার (৩ মে) সকালে জোয়ারের পানির তোড়ে জেলার আন্ধারমানিক নদীর বন্যা রক্ষা বাঁধ ভেঙ্গে গেলে এসব গ্রাম প্লাবিত হয়।
এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানভীর রহমানের বরাত দিয়ে আমাদের পটুয়াখালী সংবাদদাতা জানান, জোয়ারের পানিতে উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের আটটি গ্রাম এবং ধুলাশাল ইউনিয়নের দুটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
ইউএনও আরও জানান, গ্রামগুলোর অন্তত ৯৫০ জনকে বিভিন্ন ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার ইউএনও আব্দুল্লাহ আল জাকি জানান, জোয়ারের কারণে পায়রা নদীর পানি উপজেলার মেহেন্দিগঞ্জ গ্রামে প্রবেশ করলে সেখান থেকে অন্তত ২,৫০০ মানুষকে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।




